জার্মানিতে প্রতিবছরই লাখ লাখ প্রাণী গবেষণার জন্য জন্ম দেয়া হয় এবং পরবর্তীতে সেগুলো ব্যবহার না করেই আবার মেরে ফেলা হয়।
এক সরকারি প্রতিবেদনে জানা গেছে এই তথ্য। এমনই তথ্য দিয়েছে সংবাদমাধ্যম ডিডব্লিও।
দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী, ২০১৭ সালে জার্মানিতে ৩৯ লাখ প্রাণী হত্যা করা হয়েছে। গোটা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি ১ কোটি ২৬ লাখ। এছাড়াও ২৮ লাখ প্রাণী গবেষণাগারে হত্যা করা হয়েছিল।
জানা গেছে, ২০১৭ সালে জার্মানিতে গবেষণার কাজে সবচেয়ে বেশি প্রাণী উৎপাদন করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেগুলোর অধিকাংশই ছিল ছোট ইঁদুর। এছাড়া ২ লাখ ৫৫ হাজার বড় ইঁদুর, ১ লাখ ৪০ হাজার মাছ, ৩ হাজার ৫শ’ বানর, ৩ হাজার ৩শ’ কুকুর এবং ৭১৮টি বিড়ালও ছিল।
এসব প্রাণীর ৫০ শতাংশ বিভিন্ন গবেষণামূলক পরীক্ষা-নিরীক্ষায়, ২৭ শতাংশ নতুন ঔষধ পরীক্ষায় এবং ১৫ শতাংশ সুনির্দিষ্ট কোনো রোগ নিয়ে গবেষণায় ব্যবহার করা হয়েছে
জার্মান প্রাণী আইন সংরক্ষণ সংগঠন সবুজ দলের প্রাণী সুরক্ষা নীতির প্রধান রেনেটা ক্যুনাস্ট দাবি করেছেন, গবেষণায় ব্যবহৃত প্রাণী হত্যার সংখ্যা প্রকাশের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র আড়াল করতে চেয়েছে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সরকার।
উল্লেখ্য, জার্মানিতে প্রসাধন শিল্পে প্রাণী নিয়ে গবেষণা ১৯৯৮ সালে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আর পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২০০৪ সাল থেকে এ ধরনের গবেষণা নিষিদ্ধ।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি