সারাদেশ যখন করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পাবার সংগ্রামে ব্যস্ত, সরকার এবং প্রশাসন সামগ্রিক অবস্থা নিয়ন্ত্রণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গৃহীত নানা কর্মকান্ড বাস্তবায়নে ব্যতিব্যস্ত, তখনই একটি মহল প্রধানমন্ত্রীর করোনা যুদ্ধে অর্জনকে ম্লান করতে ব্যবহার করছে গণমাধ্যমকে।
এর সর্বশেষ চিত্র দেখতে পাওয়া যায়, সাভারের ব্যাংক কলোনী এলাকায় এক মাকে নিয়ে ৭৪ এর বাসন্তী নাটকের নতুন করে মঞ্চায়নের অপচেষ্টায়। ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে যে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় প্রকাশিত ওই ঘটনাটি ছিলো মিথ্যা ও সাজানো। যা দেশের নেতৃত্বস্থানীয় স্যাটেলাইট চ্যানেল যেমন একাত্তুর টিভি এবং সময় টিভি মারফত দেশবাসী জেনেছেন।
এর আগে, সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজুর রহমান উপজেলার বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যানদের নিকট থেকে ত্রাণের নামে চাঁদা হিসেবে ৫০ হাজার টাকা করে নিয়েছেন মর্মে বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হয়। বিষয়টি নিয়ে বার্তা বাজারের ষ্টাফ রিপোর্টার মোঃ আল মামুন খান অনুসন্ধানে নেমে মুঠোফোনে ওই সকল চেয়ারম্যানদের বক্তব্য ও লাইভে একজনের বক্তব্য নিয়ে ‘আমাদের ইউএনও পারভেজুর রহমান’
( http://bartabazar.com/archives/157043) শিরোনামে বার্তা বাজার অনলাইন পোর্টালে গত ১৮ এপ্রিল, ২০০০ তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।
এরপরে গত ২১ এপ্রিল, ২০০০ তারিখে বিষয়টি নিয়ে মোঃ আল মামুন খান এর সাথে সাথে চেয়ারম্যানদের কথোপকথনের কল রেকর্ড ও অন্য সাংবাদিকের কাছে চেয়ারম্যানদের প্রদানকৃত ভিডিও বক্তব্য থেকে নিয়ে ‘সাভারের ইউএনও’র বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনঃ যা বললেন চেয়ারম্যানরা’ শিরোনামে (https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=3115796605138701&id=1495401560511555) আরো একটি ভিডিও প্রতিবেদন করেন তিনি।

এই ভিডিও প্রতিবেদনটি অর্ধলক্ষাধিক ভিউ হবার পরেই ঘটে ন্যাক্কারজনক একটি ঘটনা, যা প্রকারান্তরে সমগ্র সাংবাদিক সমাজেরই ভাবমূর্তি নষ্ট করার মতো।
ওই দিনই অর্থাৎ ২১ এপ্রিল সন্ধ্যা ৬টা ৯ মিনিটে যুগান্তর পত্রিকার সাভার প্রতিনিধি মতিউর রহমান ভান্ডারী তার ব্যক্তিগত মুঠোফোন থেকে বার্তা বাজারের ষ্টাফ রিপোর্টার মোঃ আল মামুন খান এর ব্যক্তিগত মুঠোফোনে কল করে প্রথমে তার প্রকাশিত প্রতিবেদন বার্তা বাজার থেকে ফেলে দিতে তথা নিউজগুলি ডিলিট করে দিতে বলেন। পরে বিভিন্ন অশালীন ভাষায় মোঃ আল মামুন খান এবং বার্তা বাজারের সম্পাদককে গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তিনি (মতিউর রহমান) ষ্টাফ রিপোর্টার মোঃ আল মামুন খানকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশমাইল গেট এলাকায় এনে মারধর করার হুমকী প্রদান করেন।
চলুন শোনা যাক, গত ২১ এপ্রিল যুগান্তরের সাভার প্রতিনিধি কল করে কি বলেছিলেন…
বার্তা বাজারের ষ্টাফ রিপোর্টার কে যুগান্তরের সাভার প্রতিনিধির হুমকী প্রদান!
বার্তা বাজারের ষ্টাফ রিপোর্টার কে যুগান্তরের সাভার প্রতিনিধির হুমকী প্রদান!ইউটিউবে দেখতে ভিজিট করুন -https://youtu.be/kpblTf9kGOM
Gepostet von Barta Bazar am Samstag, 25. April 2020
এব্যাপারে বার্তা বাজারের ষ্টাফ রিপোর্টার মোঃ আল মামুন খান জানান, হুমকি প্রদানের বিষয়টি তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সাভার উপজেলা প্রশাসনের নিকট জানিয়েছেন এবং পরে এব্যাপারে নিকটস্থ থানায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছেন। পাশাপাশি তার নিরাপত্তার বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টিও কামনা করেন তিনি।
যুগান্তর পত্রিকার মত একটি বহুল প্রচারিত পত্রিকার নাম ব্যবহার করে এই পত্রিকার সাভার প্রতিনিধি নিজ স্বার্থ হাসিল করে যাচ্ছেন, যাতে যুগান্তর পত্রিকার সুনাম নষ্ট হবার পাশাপাশি সাভার তথা দেশেরও সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে।
বার্তা বাজার/এম.সি