পুলিশ বাহিনীর উজ্জ্বল নক্ষত্র ওসি শিকদার মোঃ শামীম হোসেন

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর উজ্জ্বল নক্ষত্র ঐতিহাসিক দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শিকদার মোঃ শামীম হোসেন।

তিনি শুধু তার ব্যক্তি সত্তাকেই নয় বরং পুরো পুলিশ বাহিনীর অবয়বকে একটি গ্রহণযোগ্য অবয়বে সমুন্নত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন সব সময় নিজ কর্মদক্ষতায়। তিনি ডিএমপি’র দক্ষিণখান থানার একজন পেশাদার, দায়িত্বশীল ও সফল পুলিশ কর্মকর্তা।

পুলিশি গুরুদায়িত্ব পালনে সাফল্যের স্বীকৃতি ছাড়াও মানুষের জন্য কাজ করা ব্যতিক্রম ধর্মী চিন্তা ও অনবদ্য ভূমিকা তাকে দিয়েছে বিশেষ খ্যাতি আর সম্মান।

দক্ষিণখান থানার অফিসার ইনচার্জ সিকদার মোঃ শামীম হোসেন ঐতিহ্যবাহী গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান। তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ জামাল হোসেন সিকদার।

দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে গোপালগঞ্জের বাড়ির মার্চ মাসের বাড়ি ভাড়া মওকুফ করলেন। গোপালগঞ্জের বটতলা ৩২০/১, গোহাটা রোড (প্রস্তাবিত) “নির্ঝর টাওয়ার” এর বাড়িভাড়া মওকুফ করে দিলেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি বললে- অন্যরাও যাতে এ ধরনের মানবতার কাজে এগিয়ে আসেন। আজ দেশের সংকটময় মুহূর্তে সবারই এগিয়ে আসা উচিত মানবতার কল্যাণে। আমি নিজের সাধ্যমতো চেষ্টা করছি জনগণকে সচেতন করতে। মানবতার হাতকে মুক্ত রেখেছি মানব কল্যাণে।

সমাজের প্রতিটি ভালো মানুষ এক একটি নক্ষত্র। ভালো মানুষের স্থান সর্বদাই সর্বোচ্চ। যেখানে জন্মেছেন, যেখানেই তার পদচারণা পড়েছে সেখানেই আদর্শের উজ্জ্বল বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন সবার মাঝে।

এই মানুষটার সাফল্য তুলে ধরলে পাওয়া যায় অনেক আদর্শের আলোক বার্তা। যা তার চলার পথকে করেছে গতিময়। তিনি অত্র থানায় নিজ অর্থায়নে কিনে রেখেছেন চাল, ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি। যেকোন অসহায় ফোন করলে গোপনে পৌঁছিয়ে দিচ্ছেন খাবার প্যাকেট অসহায়ের বাসায়। দেশের এই করোনা মহামারিতে এমন মানবতার নিদর্শন সত্যি বিরল।

জনবান্ধব পুলিশের এক অনন্য পথিকৃৎ। জনমনে প্রশংসিত এক কিংবদন্তি শিকদার মোঃ শামীম পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছেন তার মানবিক মূল্যবোধ, প্রজ্ঞা ও সমাজ কল্যাণকর উদ্যোগের মাধ্যমে। তার উদ্যোগ মানব কল্যাণে অনন্য দৃষ্টান্ত রেখেছে।

যার প্রমাণ পাওয়া যায়, কোন কাজ নিয়ে থানায় গেলে। তিনি কর্তব্যরত অফিসারকে তৎক্ষনাৎ পাঠিয়ে দেন সমস্যাকুল এলাকায়। আইনি প্রক্রিয়ায় থানায় কোন জিডি বা মামলা করতে টাকা নেয়া হয়না।

অপরাধ সীমান্তে বসবাসরত অনগ্রসর বিশেষ মহলের অন্ধকার জীবন ধারার সামনে সূচনা করেছেন আলোকিত পথ। তাদের করেছেন আলোর পথযাত্রী। নিজে হয়েছেন আলোকবর্তিকা। স্বকীয় প্রচেষ্টায় পুলিশ সম্পর্কে সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিকে পাল্টে দিয়েছেন।

প্রশংসিত করেছেন সমকালীন পুলিশের প্রবণতা ও উদ্যমকে। পুলিশের জনকল্যাণ ধর্মী ভূমিকার অন্যতম আইকন শিকদার মোঃ শামীম দক্ষিণখান থানা এলাকায় হয়ে উঠেছেন মানবতার রোল মডেল।

‘পুলিশ জনগণের বন্ধু’ এই প্রবাদের সার্থকতাকে তিনি শতভাগ প্রতিপন্ন করেছেন তার পুলিশি ভূমিকায়। যে ভূমিকার গল্প কিংবদন্তি হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশজুড়ে তথা উত্তরা পুলিশ বিভাগে।

পুলিশ পারে, একথা উদাহরণসহ সত্য। সমাজ পরিবর্তনে, মানুষের কল্যাণে, মানবতার স্বার্থে পুলিশের কার্যকর ভূমিকায় ব্যতিক্রমধর্মী অবদান রেখে চলেছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে তার অনন্য সাফল্যগাঁথা।

তিনি থানায় যোগদানের পর দক্ষিণখান থানা এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে যুুদ্ধ ঘোষণা করলে এবং মাদক ও অপরাধ স্পর্ট গুলো শনাক্ত করে যথাযত আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দিলে এলাকা থেকে মাদক এবং অপরাধ অনেকটাই শূন্যের কোঠায় নেমে আসে।

বদলে দেওয়ার অসাধ্যকে সাধন করেছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা,যার প্রচেষ্টায় প্রতিটি এলাকায় অসহায় সম্প্রদায় পেয়েছেন নতুন ঠিকানা এমন অসংখ্য ভালো কাজ করেছেন তিনি।

দক্ষিণখান থানা এলাকায় সকল জনগোষ্ঠীর মধ্যে তিনি পরশপাথর হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন, সেখানে তিনি রোল মডেল হিসেবে পেয়েছেন জনমানুষের আকাশছোঁয়া ভালোবাসা। জনপ্রিয়তা, খ্যাতি, আস্থায় শিকদার মোঃ শামীম নাম ভূমিকা এখন পুলিশ বাহিনীরই গর্ব।

যে সাফল্যের গল্প এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশে পুলিশের সমকালীন জনবান্ধব নীতির উপাখ্যান। যেখানে পুলিশের উদ্যমী ও উদ্ভাবনী ভূমিকায় পশ্চাদপদ জনগোষ্ঠীর জীবনধারা পাল্টে গেছে। প্রমাণ হয়েছে, পুলিশ চাইলে বদলে দিতে পারে উন্নয়ন বঞ্চিত, অবহেলিত সমাজের বাস্তবতা।

তাই বিভিন্ন রাজনৈতিক মহল ও পুলিশ প্রশাসন মনে করেন সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর রোল মডেল ওসি শিকদার মোঃ শামীম। দক্ষিণখান বাসীর সুখে দুঃখে তিনি হয়েছেন আপনজন।

গোপালগঞ্জের গোহাটা গ্রামের মানুষ, এই কৃতী সন্তান শিকদার মোঃ শামীম। তার বাবার নাম মোঃ জামাল হোসেন শিকদার। তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধার কমান্ডার। মহান মুক্তিযুদ্ধের সুমহান চেতনার অনুসারী। বাবার আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার গৌরবে বীরদর্পে এগিয়ে চলছেন তিনি। এ পর্যন্ত সাতবার শ্রেষ্ঠ ওসি’র পুরস্কার পেয়েছেন মেট্রোপলিটন থেকে।

মিরপুর মডেল থানা, রূপনগর, কাফরুলসহ বিভিন্ন থানায় সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে দক্ষিণখান থানায় নিজ স্বকীয়তার পরিচয় দিয়ে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তার মুক্তিযোদ্ধা বাবা, যিনি তাকে মানুষ নিয়ে ভাবতে শিখিয়ে ছিলেন। বলেছিলেন- সব মানুষকে সমান ভাবে দেখতে হবে, তাহলেই মানুষে মানুষে ভেদাভেদ কমে যাবে।

বাবার শিক্ষার প্রতিফলন হিসেবে তার কাছে গুরুত্ব পেয়েছে সামগ্রিক সকল মানুষ। উঁচু নীচু ভেদাভেদ নয়, বরং মানুষ মানুষের জন্য, আর সকল জনগণই পুলিশ – সকল পুলিশই জনগণ।

ব্যক্তিগত জীবনে এই মহান আদর্শের সূতিকাগার তিন সন্তানের জনক। মানুষ ও মানবতার সেবাই তার পরম লক্ষ্য ও ধর্ম।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর