পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন লক্ষীবাজার সংলগ্ন খাপড়াভাঙ্গা নদীর উপর আয়রণ সেতুটি ভেঙ্গে পড়েছে। নদীতে প্রবল জোয়ারের চাপে সেতুৃটি ভেঙ্গে খালে পড়ে যায়। এতে কেউ হতাহত না হলেও অন্তত ১৫টি গ্রামের সাথে আন্তঃ যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। এতে দূর্ভোগে পড়ে অন্তত অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখতে সেতুর স্থানে একটি খেয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
লতাচাপলী ইউপি চেয়ারম্যান মো. আনসার মোল্লা জানান, ২০০৮-২০০৯ অর্থ বছরে বরকতিয়া ও লক্ষীবাজারের মাঝ দিয়ে বহমান খাপড়া নদীর উপর এ আয়রণ সেতুটি নির্মাণ করা হয়। গত প্রায় দুই বছর ধরে সেতুটির বরকতিয়া অংশের স্লাবগুলো ভেঙ্গে যায়। লোহার কাঠামোতে মরিচা ধরে ভেঙ্গে একদিকে কাঁত হয়ে যায়। সেতু ভেঙ্গে দূর্ঘটনা এড়াতে সেতুর লক্ষীবাজার অংশের কাঠের বেড়া ও সেতুর উপর গাছ রেখে সকল যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হলেও ঝুঁকি নিয়ে ধুলাসার, ডালবুগঞ্জ ও মহীপুর ইউনিয়নের মানুষ সেতুর উপর দিয়ে চলাচল করতো। এ সেতু ভেঙ্গে যাওয়ায় ফাতেমা হাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহ¯্রাধিক শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসীরা জরুরী পণ্য ক্রয় বিক্রয়ে এখন দূর্ভোগে পড়েছে।
লক্ষী বাজারের ব্যবসায়ী রবীন কর্মকার জানান, বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে হঠাৎ বিকট শব্দে সেতুটি ভেঙ্গে নদীতে পড়ে যায। এতে সেতুর ভাঙ্গা অংশ নদীতে পড়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় নৌ-যোগাযোগও।
এব্যাপারে কলাপাড়্ াউপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মো. শহিদুল হক জানান, এই মুহুর্তে যোগাযোগ চালু রাখতে সেতুর পাশে একটি খেয়া নৌকা বসানো হয়েছে। জরুরী ভিত্তিতে সেতুটি ভেঙ্গে ওই স্থানে নতুন একটি সেতু নির্মানের উদ্যোগ নেয়া হবে।
বার্তা বাজার/এম.সি