সময়ের সাহসী যোদ্ধা অ্যাম্বুলেন্স চালকরা, চাননা প্রণোদনা

পৃথিবীর এত বড় বিপদ এর আগে কখনই হয়নি। মহামারি করোনায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন যারা তাদের মাঝে অ্যাম্বুলেন্স চালকরাও আছেন। পরিচয়টা গাড়ির চালক হলেও এখন আক্রান্ত রোগীদের একমাত্র শক্তি তারাই। পরিবারের লোকেরাও যখন পাশে থাকতে পারে না তখন যথেষ্ট সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়াই মানবতার জয়গান গাইতে করোনা আক্রান্তদের নিয়ে চলেন হাসপাতালে। এই মানুষগুলোও করোনা যুদ্ধের অনেক বড় যোদ্ধা।

মানব সভ্যতা যেখানে চরম ঝূঁকিতে সেখানে সবাইকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন পুলিশ, ডাক্তার, নার্সসহ স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত মানুষেরা। কিন্তু এদের মাঝে যে পেশার মানুষেরা এখনও নিজেদের প্রচার ছাড়াই কাজ করে যাচ্ছেন তারা হলেন অ্যাম্বুলেন্স চালক। সংক্রমণের ভয়ে পরিবার, স্বজনেরা যখন দূরে চলে যাচ্ছেন তখন তারাই পরম মমতায় রোগীকে এক জায়গা থেকে নিয়ে আরেক যায়গায় ছুটছেন।

মানবতা আর নিজের পেশাদারিত্বের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে মানবসেবায় এগিয়ে আসা এই মানুষগুলো প্রসংশার চেয়ে লাঞ্চনা আর বঞ্চনাই পাচ্ছেন বেশি। কারো খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে। কেউ আবার পরিবারর সুরক্ষার কথা ভেবে ঘরে ফিরছেন না দিনের পর দিন। থাকছেন কোনো সংস্থার অধীনে কিংবা অ্যাম্বুলেন্সেই।

সারতাদেশে বেসরকারিভাবে ২ হাজার ৮০টি অ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু শুধু ঢাকায় করোনা সেবায় নিয়োজিত মাত্র ৬টি। এই ৬টি অ্যাম্বুলেন্স করোনায় আক্রান্ত বা মৃতদের বহনে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। শুধু ডাক পেলেই ওরা ছুটে যায় তীরের বেগে।

তবুও এমন ঝূঁকিতে সরকারের প্রণোদনার দিকে তারা তাকিয়ে নেই। ভয়কে জয় করে এগিয়ে যেতে চান সামনে। জিততে চান এই মহাযুদ্ধে। তারাও করোনা যোদ্ধা।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর