বান্দরবানে এক উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ৩ কর্মকর্তাসহ ৩০ জন কোয়ারেন্টাইনে

পাহাড়ঘেরা বান্দরবান জেলায় করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪ জনে দাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ১ জন ও নারী ৩ জন। জেলার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর দেহে করোনা শনাক্ত হওয়ায় ওই হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার, ৭ ডাক্তার, ১০ নার্স, ৬ স্টাফ ও আয়া, থানচি উপজেলার ইউএনও, থানচি থানার ওসিসহ ৭ জনকে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে।

ওই হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ড লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। উপজেলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও সোনালী ব্যাংকের একটি শাখাও লকডাউন করা হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাতে চট্টগ্রামের করোনা পরীক্ষা ল্যাবে থানচি উপজেলার সোনালী ব্যাংকের এক নিরাপত্তারক্ষী, বড়মদক এলাকার মারমা সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি ও লামা উপজেলায় সদর ইউনিয়নের এক নারীর (৩২) করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়।

এর পূর্বে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাব টেস্ট করে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নে তাবলিগ জামাতফেরত একজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এ নিয়ে জেলায় চারজনের করোনা হয়েছে।

শনাক্ত রোগীদের সদর হাসপাতালে দুজন, লামায় একজন ও নাইক্ষ্যংছড়িতে একজন রয়েছে। এ ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ১০ জন ও হোম কোয়ারেন্টিনে ১৯৫ জন রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বান্দরবান সিভিল সার্জন ডা. অংসুই প্রু মারমা বলেন, থানচিতে দুজন, লামায় একজন ও নাইক্ষ্যংছড়িতে একজনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। তাদের সংস্পর্শে থাকা সদর হাসপাতালের সাত চিকিৎসক, ১০ নার্স, ছয়জন স্টাফ-আয়া এবং থানচিতে ইউএনও, ওসিসহ ৩০ জনকে নতুন করে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর