যবিপ্রবির ল্যাবে ১৩ জনের করোনা সনাক্ত

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) পাঁচ জেলার ১৩ জন মরণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নড়াইলে পাঁচজন। যার ৪ জনই চিকিৎসক।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ৬৯টি নমুনা পরীক্ষা করে এ ১৩ জন শনাক্ত হন। যবিপ্রবি উপাচার্য ড. আনোয়ার হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ নিয়ে যবিপ্রবি জিনোম সেন্টারে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার পঞ্চম দিনে এসে পজিটিভ রোগীর সন্ধান মিলল। এই পাঁচদিনে এই সেন্টারে ২৭১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

যবিপ্রবি জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক ও অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ইকবাল কবীর জাহিদ জানান, মঙ্গলবার পঞ্চমদিনে যশোরসহ ছয়টি জেলা থেকে মোট ৬৯ জনের নমুনা পরীক্ষার জন্য হাতে পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব কর্তৃপক্ষ। ৬৯ জনের মধ্যে যশোর জেলার ২০টি, নড়াইল জেলার আটটি, মাগুরা জেলার ১০টি, ঝিনাইদহ জেলার ছয়টি, মেহেরপুর জেলার ১৩টি এবং কুষ্টিয়া জেলার ১২টি নমুনা হাতে পেয়ে পরীক্ষার কাজ শুরু হয়।

বুধবার সকালে নমুনা পরীক্ষার ফলাফল সম্পর্কে জানতে চাইলে যবিপ্রবি উপাচার্য ড. আনোয়ার হোসেন জানান, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে পঞ্চমদিনের নমুনা পরীক্ষায় ১৩ জন পজিটিভ হয়েছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নড়াইলে পাঁচজন। এদের মধ্যে চারজন চিকিৎসক। এছাড়া যশোরে চারজন, কুষ্টিয়ায় দুজন, মাগুরা ও নড়াইলে একজন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

যশোর জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, যবিপ্রবি ল্যাবে মঙ্গলবারের নমুনা পরীক্ষায় যশোরের চারজন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তবে এদের মধ্যে কোনো চিকিৎসক নেই। এছাড়া এই জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৮ জনকে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনে ৪০ জন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে ৩৮ জনকে রাখা হয়েছে।

গত ১০ মার্চ থেকে ২১ এপ্রিল (অর্থাৎ ৪১ দিনে) যশোর জেলায় চার হাজার ৬২ জনকে হোম ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে তিন হাজার ৫৯ জনকে।

বার্তাবাজার/এমকে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর