চুয়াডাঙ্গার বেগমপুরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) আক্রান্ত শহিদ উদ্দিন (৬৫) কে আবারও চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছেন চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন। মঙ্গলবার দুপুরে বিশেষ ব্যবস্থায় শহিদকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
এদিকে তার পরিবারের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেছেন বেগমপুর ক্যাম্প পুলিশ। বেগমপুরে করোনা আক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকা জুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছিলো। ঘটনার পর থেকেই বেগমপুর ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ এএসআই আশরাফ অক্লান্ত পরিশ্রম করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। সেই সাথে এলাকায় দ্রুত লকডাউন ও আক্রান্তের পরিবারের হোক কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেন।
এবিষয়ে বেগমপুর ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ এএসআই আশরাফ জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশে আক্রান্ত পরিবারের হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিত করেছি। সেই সাথে এলাকাবাসীকে বিনা কারণে বাহিরে যেনো না বের হয় সে বিষয়ে সতর্কবার্তা অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য, মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তথ্য গোপন করে এলাকায় অবাধে ঘোরাফেরা করেছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ওই এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে মঙ্গলবার দিনগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার বাড়িসহ ওই মহল্লা অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন করেছে প্রশাসন।
চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন ডা. এএসএম মারুফ হাসান জানান, শহিদ উদ্দিন কিডনি জনিত রোগে ভুগছিলেন। তার পরিবার তাকে গত ১৩ এপ্রিল ঢাকা শেরে বাংলানগর কিডনি হাসপাতালে ভর্তি করে। ১৫ এপ্রিল শারীরিক অবস্থা দেখে সন্দেহ হলে তার দেহের নমুনা আইইডিসিআরে পাঠায় সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক। পরীক্ষায় তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানায় আইইডিসিআর।
পরে তাকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে রেফার্ড করে কিডনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেখানে না গিয়ে তিনি ১৮ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গায় পালিয়ে আসেন। বিষয়টি জানাজানি হলে রাতেই তার বাড়ি গিয়ে চিকিৎসার কাগজপত্র দেখে করোনায় আক্রান্ত বিষয়টি নিশ্চিত হয় চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগ।
বার্তা বাজার/এম.সি