কলাপাড়া উপজেলায় হাজার হাজার পরিবার ক্ষুধার যন্ত্রনায় দিনযাপন

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলাকে নভেল করোনা ভাইরাস এর কারনে লকডাউন ঘোষনা করা হয়। নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন আয়ের মানুষের দিন কাটছে চরম দূভোর্গে। নিম্ন আয়ের মানুষের কর্ম বন্ধ ও ঘড় বন্ধি হওয়ায় মানুষের কপালে নেমে এসেছে চরম দূর্ভোগের ঘনঘটা। এ দূর্ভোগ কবে শেষ হবে এ নিয়েও সাধারণ মানুষের কপালে দেখা যাচ্ছে দুশ্চিন্তার ভাব। গোটা কলাপাড়া উপজেলার সল্প আয়ের মানুষগুলো ক্ষুধার যন্ত্রনায় দিন পার করছেন প্রতিনিয়ত।

নিম্ন মধ্যবিত্ত ও স্বল্প আয়ের মানুষের এখন একটাই দাবি করেছেন, কেউ খাবে তো কেউ পাবেনা তা হবে না তা হবে না। খেয়াল রাখলে ভালোভাবে রাখতে হবে। উপজেলার রাজনৈতিক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নিজের নিকটতম বা চিন পরিচিত লোকের উপর খেয়াল রাখে নিরলস ভাবে,কিন্তু আমরা যে অসহায় শ্রেনীর মানুষ আছি আমাদের দেখার যেন কেউ নেই ,এমন টা এখন অভিযোগ সাধারন মানুষের। নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দিনমজুর বাসু মিস্ত্রী জানান,এখন যে অবস্থা ঘরে চাল নেই যে দু’মুঠো ভাত খেয়ে দিন পার করবো। করোনায় লকডাউন ঘোষনার পর থেকে কোন প্রকার সুযোগ সুবিধা আমি পাইনি, কি ভাবে যে আমার দিন কাটে তা একমাত্র আমি এবং ইশ্বর যানেন। বর্তমান দেশের সংকটময় পরিস্থিতি বিবেচনায় সমাজের বিত্তবানরা যদি সহযোগীতার হাতটা একটু ভালো ভাবে বাড়িয়ে সল্প আয়ের মানুষের মাঝে দাড়াতেন ,তা হলেও এমন করুন অবস্থায় থাকতে হতোনা দরিদ্র সাধারণ মানুষের।

সাম্প্রতিক কালে বিত্তশালীরা যে সকল মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন তার চেয়ে সেলফির ভাগিদার হয়ে দাড়িয়েছেন অনেক গুণে। কলাপাড়া উপজেলার রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী কিংবা সমাজ সেবক’রা পাঁচ জন’কে সহযোগীতা করলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে দানবীর পরিচয় দেয়ার জন্য লেখেন ৫০ জন, মিথ্যে ছলে বলে জ্বলছে কলাপাড়া উপজেলার রাজনীতিবিদ দানবীরদের বাতি।

বার্তা বাজার/এম.সি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর