প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কের মাঝে টানা সরকারি বন্ধ চলছে। বন্ধের মাঝেও স্বাভাবিক রয়েছে পণ্য সরবরাহ। তবুও শুধুমাত্র পরিবহন ভাড়া বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে সব ধরণের ভোগ্য পণ্যের দাম। তেল-ছোলা-পেঁয়াজ ও রসুনের দাম বেড়েছে কেজিতে এক থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত। এমনকি পাইকারি পর্যায় থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরত্বেও খুচরা বাজারেও দাম বাড়ানো হচ্ছে কয়েক গুণ।
রমজানকে সামনে রেখে ছোলার চাহিদা বাড়তে থাকায় পাইকারি পর্যায়ে কেজি প্রতি ছোলার দাম বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা। ছোলার মতো বাড়ানো হয়েছে সব ধরণের ডালের দাম’ও। এমনকি খুচরা ভোজ্য তেলের দাম কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও সংকট রয়েছে বোতলজাত তেলের। আর আদার দাম কিছুটা কমলেও রসুন এবং পেঁয়াজের দাম বাড়তির দিকে। দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে দেখানো হচ্ছে নানা অজুহাত। বিক্রেতারা বলেন, দাম বাড়ছে কারণ কারখানা বন্ধ, শ্রমিক সঙ্কট, এবং গাড়ি ভাড়াও ডবল হচ্ছে। এছাড়া কোম্পানি কোন মাল দিচ্ছে না।
অঘোষিত লকডাউন সত্ত্বেও দিনের বেলায় চট্টগ্রাম নগরীতে তেমন পরিবহন সংকট থাকে না। খুচরা বাজারগুলোতে পণ্য সরবরাহ’ও স্বাভাবিক থাকে দেশের সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জ থেকে কাজিরদেউড়ি বাজারের দূরত্ব মাত্র দুই কিলোমিটার এই দূরত্ব অতিক্রম করে ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ছে কেজিতে ৫ থেকে ৩০ টাকা।
পাইকারি পর্যায়ের ৬৮ টাকার ছোলা খুচরা বাজারে ৭৫ টাকা। একইভাবে তেলসহ সব ধরণের ভোগ্যপণ্যের দাম এখানেও বাড়তি। কিন্তু এখানেও অজুহাতের অভাব নেই। বিক্রেতারা বলেন, আমরা টাকা দিয়েও মাল পাচ্ছি না। আগের সপ্তাহে যা ছিল দাম এখন পুরোটাই পরিবর্তন হয়ে গেছে।
বাংলাদেশের ভোগ্যপণ্যের বাজার পুরোপুরি আমদানি নির্ভর। যে কারণে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পণ্য প্রথমে খাতুনগঞ্জে নিয়ে আসার পর সেখান থেকে দেশের অন্যান্য খুচরা বাজারগুলোতে পাঠানো হয়।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস