বাংলাদেশ এখন করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ৪র্থ স্তরে রয়েছে। রোগ সংক্রমণের চতুর্থ স্তরে পৌঁছানোর অর্থ, করোনায় আক্রান্ত হবে বহু মানুষ, বহু মানুষকে হাসপাতালে যেতে হবে, মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে।
সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়েছে, যার উৎস অজানা। কে এই ভাইরাস বহন করছে তা জানা না থাকায় দ্রুত ছড়াচ্ছে বলে জানান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। রোগী বাড়ার কারণে, জুন মাস পর্যন্ত সচেতন থাকতে বলেন তারা। রোগী আরো বেড়ে গেলে চিকিৎসা দেয়াও কঠিন হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে যখন চীনের উহানে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হলো তখন থেকেই চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই রোগ প্রতিরোধে মানুষে মানুষে দুরত্ব মেনে চলতে হবে। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও সাধারণ ছুটি দিয়ে মানুষকে ঘরে থাকার নির্দেশনা দেয় সরকার। যা মার্চ মাসের ২৬ তারিখ থেকে শুরু হয়ে এখনো চলছে।
করোনা সংক্রান্ত কারিগরী কমিটির এই সদস্য জানান, কিছুদিন আগেও মনে হয়েছে এপ্রিল মাসের পর এর ভয়াবহতা কমতে পারে। কিন্তু, সামাজিক দুরত্ব মেনে না চলার কারণে এই সময় আরও বাড়লো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেয়া করোনা সংক্রমণের হারের হিসেবে বাংলাদেশ এখন চতুর্থ স্তরে রয়েছে।
করোনার চিকিৎসায় এখন পর্যন্ত সাধারণ কিছু এন্টিবায়োটিক দেয়া হয় রোগীদের। যা সব দেশেই একইরকম। শুধুমাত্র ভেন্টিলেটরের মাধ্যমেই গুরুতর রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হয়। যেখান থেকে মাত্র ৫০ ভাগ রোগী ফিরে আসে সুস্থ হয়ে। সামাজিক সংক্রমণ থামানো না গেলে আরো কঠিন সময় আসতে পারে বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। তখন হাসপাতাল বা চিকিৎসা কোনোটারই পযাপ্ত ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে না।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি