বর্তমান যুগে মানুষের বিপদে অন্য মানুষকে পাওয়া যায় না। সুখের সময় লোকের অভাব নেই সুখ বাটোয়ারা করার কিন্তু দুঃখের সাথী বলতে আপন ছাড়া কেউই বাকী থাকে না। অন্যের দৈন্য দুর্দশায় পাশে সাহায্য করার মানসিকতাই প্রকৃত মানবপ্রেম।
মানুষ সামাজিক জীব। সমাজের বেড়াজাল এ মানুষ আবদ্ধ। পরিবার, সমাজ, ধর্ম, রাষ্ট্র একে অপরের পরিপূরক। মানবসেবায় যে জন নিজের জীবন উৎস্বর্গ করে ইতিহাসের পাতায় ও মানুষের হৃদয়ে তাদেরই জায়গা হয়। এটাই সচরাচর লক্ষ্য করা যায়। পক্ষান্তরে বিপরীত মানসিকতার লোকদের কথা ইতিহাসে বিপরীত ভাবেই মানুষ মনে রাখে এটা আমরা জানি।
সমাজের প্রতি আমাদের সকলের বিশেষ দায়বদ্ধতা আছে। মানুষের কল্যাণে পাশে থাকাই হোক আমাদের সবার চাওয়া ও পাওয়া। বিশ্বে আজ নানাবিধ সমস্যায় পরিপূর্ণ। যুদ্ধকাল শেষ না হতেই নেমে আসে খাদ্যের অভাব। আজ অনেক দেশেই যুদ্ধ নামক ব্যাধি বিদ্যমান। যার ফলে মানুষ হচ্ছে বাস্তুহারা।
জীবনের কোন মূল্য নেই বললেই চলে। এই বুঝি বোমা এসে পড়লো! এমন পরিস্থিতি কি আমাদের কাম্য? যে অবস্হায় তারা দুবেলা দুমুঠো খাবারও পায় না। যে সময় শান্তির বার্তা পৌছানো প্রয়োজন ঠিক সে সময়ই পৌছায় রকেট বোমার ভয়ংকর শব্দধ্বনি। আমরা আজ মরণাস্ত্র তৈরীতে ব্যস্ত।
মানুষের কল্যাণে আমাদের মেধাকে কাজে না লাগিয়ে তা ধ্বংসাত্বক কাজে ব্যবহার করছি। আমাদেরকে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। মানবতার কল্যাণে, মানুষের পাশে। যুদ্ধ নয় শান্তি চাই। চাই সম্প্রীতি ও ভালবাসার এক নতুন বিশ্ব। যে বিশ্বে আমরা শান্তির ধারক ও বাহক হবো।
লেখক: মোঃ রশিদুল আলম
শিক্ষার্থী, আইইবি – ঢাকা
মেকানিক্যাল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগ।
কেএ/বার্তাবাজার