দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, সরকারি ত্রাণ আত্মসাতকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা দ্রুত তদন্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হবে।
তিনি বলেন, দুদকের নিজস্ব গোয়েন্দাসহ বিভিন্ন উৎস থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশের কয়েকটি জায়গায় ত্রাণের চাল যথাস্থানে রাখা হয়নি, তালিকা প্রস্তুতিতে অনিয়ম-দুর্নীতি বা ত্রাণ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। তবে একথাও সত্য দেশব্যাপী এ জাতীয় ঘটনা ঘটেনি। কমিশন এ পর্যন্ত ৬টি জায়গায় এ জাতীয় ঘটনার সত্যতা পেয়েছে এবং মামলা করেছে। ঢাকা, মানিকগঞ্জ, বগুড়া, বরিশাল ও বরগুনায় ৬টি ঘটনায় ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করা হয়েছে। কমিশন থেকে এসব মামলার তদন্ত সম্পন্ন করে দ্রুত চার্জশিট দাখিলের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদক দ্রুত আসামিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রসিকিউটিং সংস্থা হিসেবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ দায়িত্ব পালন করবে। অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতের মাধ্যমে দুদক এ জাতীয় অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কমিশন দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
বিদ্যমান করোনা মহামারী সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে ইকবাল মাহমুদ বলেন, জাতির এই ক্রান্তিকালে সম্মিলিত প্রয়াস ছাড়া এ জাতীয় মহামারী নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। অতীতেও আমরা বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছি ত্রাণ কাজে দুর্নীতি করলে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে। আজও বলছি ত্রাণ কাজে অন্যায় করলে মামলা বা গ্রেফতারের মতো আইনি কার্যক্রম চলবে এবং দ্রুততর সময়ে চার্জশিট দাখিল করে অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত কল্পে বিচারিক কর্মপ্রয়াসে দুদক সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত থাকবে। এ জাতীয় অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিতকল্পে সম্ভাব্য সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবে দুদক।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস