সাতক্ষীরায় ১৮৯৭ টি মামলায় ২০ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায়

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব সংকটকালীন সময়ে বাস-মালিক সমিতির শ্রমিকদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল হতে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বাস মালিক সমিতির শ্রমিক ৫০০ জনকে সহায়তা প্রদান করা হয়।

উক্ত খাদ্য সহায়তা বিতরণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মাস্তাক আহমেদ রবি। আরও উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক এস এম মঝস্তফা কামাল এবং পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান, পিপিএম (বার)। জেলা প্রশাসক বলেন, পর্যায়ক্রমে নির্মাণ শ্রমিক ও সকল পরিবহন শ্রমিকদের সহায়তা প্রদান করা হবে।

আগামীকাল অটোরিকশা চালকদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হবে। উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন থাকুন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করুন। যেহেতু করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর কোন প্রতিষেধক এখনও আবিষ্কৃত হয় নাই এবং দেশে এর সংক্রমণ প্রতিদিন বেড়েই চলছে তাই সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রতিরোধ করাই একমাত্র উপায়।

জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তফা কামাল তার অফিস কক্ষে সাতক্ষীরা জেলার চিংড়ি চাষী এবং প্রবীণ ব্যক্তিদের সাথে আলোচনা সভা করেন। করোনা পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে চিংড়ি খাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়ে সে বিষয়ে সম্ননিত পদক্ষেপ গ্রহণ করার কথা বলেন জেলা প্রশাসক। সাতক্ষীরাতে ৮৬ হাজার হেক্টর জমিতে চিংড়ি চাষ হয় এবং ১ লক্ষ ৪২ হাজার টন মাছ উৎপন্ন হয় যার মধ্যে ৩ থেকে ৪ হাজার মে; টন বাগদা চিংড়ি এবং ৮০০ থেকে ৯০০ মে: গলদা চিংড়ি।

এই শিল্পের সাথে প্রায় ৬৭ হাজার কৃষক এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রায় ২.২০ লক্ষ মানুষ জড়িত। এই মুহূর্তে উৎপাদিত চিংড়ি স্থানীয়ভাবে এবং দেশের অভ্যান্তরে কীভাবে বাজারজাত করা যায় এবং বাকি চিংড়ি সংরক্ষণ করা যায় সেবিষয়ে আলোচনা করা হয়।

এছাড়া সকল চিংড়ি চাষীর ডাটাবেস করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বুধবার এ বিষয়ে আরও একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় মৎস্য ও চিংড়ি খাতের জন্য প্রণোদনা এবং চিংড়ি চাষীরা কিভাবে স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা পেতে পারে এবং ১০ বছর মেয়াদে কিস্তিতে ঋণ পরিশোধ করতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয় এবং আলোচনা অনুসারে এ বিষয় চূড়ান্ত সুপারিশ সরকারের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলার ঘরে থাকা স্কুল, কলেজ শিক্ষার্থীদের জন্য গ্রুপ ভিত্তিক রচনা, গল্প, কবিতা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। ছাত্রছাত্রীর নামে, শ্রেণি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও মোবাইল নাম্বারসহ তাদের লেখা আগামী ৩০ এপ্রিল তারিখের মধ্যে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

লেখার বিষয় ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে সাতক্ষীরা জেলার কৃষির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক সভা জেলার কৃষি বিভাগের সাথে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার কোন জমি যেন অব্যবহৃত না থাকে সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করেন।

উক্ত সভার নিন্মোক্ত সিদ্ধান্ত সমূহ গৃহিত হয়ঃ বারো ধান উৎপাদনর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এখন থেকে কর্তন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কৃষকদের’কে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সুবিধাসহ সবধরনের সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে হবে, জেলায় স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার সবজি ভ্রাম্যমাণ বাজার তুরি করে নিরাপদ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ন্যায্য মূল্যে বাজারজাত করণের ব্যবস্থ্য করতে হবে।

সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষি যন্রের যন্রেংশের বিক্রয়কেন্দ্র/দোকান নিরাপদ স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খোলা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। বারো ধান কর্তন সময়ে কৃষি শ্রমিক প্রাপ্তিতে যাতে কঝন সমস্য না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্ক থাকতে হবে, উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসক নববর্ষের দিন জেলা প্রশাসকের বাংলোর অব্যবহৃত কৃষি জমি খনন করেন এবং ফেসবুক লাইভে এ বিষয়ে সবাইকে অব্যবহৃত কৃষি জমি চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করেন।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে সাতক্ষীরা জলা প্রশাসনের ব্যবস্হাপনায় ভ্রাম্যমাণ বাজার আগামিকাল থেকে চালু হবে। ২ টি ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে চাল, ডাল, আলু, সবজি, তেল, পেঁয়াজ, মরিচ বিক্রি করা হবে। আপনারা সবাই ঘরে থাকুন, সেবা নিয়ে পৌঁছে যাবে জেলা প্রশাসন।

জেলা, উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ত্রাণ মনিটরিং কমিটি গঠন প্রক্রিয়া চলমান আছে। বুধবার বিকাল ৪ টায় সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজলা পরিষদ সভাকক্ষে “দেবহাটা উপজেলায় করোনা প্রতিরোধে ত্রাণ, স্বাস্থ্য সেবা এবং সামাজিক দূরত্ব বিষয়ক” মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক, এস এম মোস্তফা কামাল সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

দেবহাটা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপস্থিত থেকে করোনা প্রতিরোধ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। ব্যক্তি পর্যায়ে ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে সমম্বয় করে ত্রাণ বিতরণে কথা বলেন জেলা প্রশাসক এবং সরকারি ত্রাণ বিতরণে কোন অনিয়ম, দুর্নীতি সহ্য করা হবে না বলে সবাইকে হুশিয়ার করেন।

উপজেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি যেন অবনতি না ঘটে সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসক সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন। অর্থনীতিকে সচল রাখার জন্য জমি চাষ করা, ফসল কাটা এবং বাজারজাত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন জেলা প্রশাসক।

বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা জেলার প্রতিটি উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং সহকারী কমিশনারদের নেতৃত্ব সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং আনসারের সমম্বয়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতকরন ও অভিযান জোরদার করা হয়েছে।

সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখা ও সরকারি আদেশ অমান্য করে ৬ টার পর দোকান খোলা রাখা এবং বিনা প্রয়োজনে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করার অপরাধে জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন অভিযানে সর্বশেষ তথ্যমতে এখন পর্যন্ত ২৫ টি অভিযানে ২৫ টি মামলায় ১,১৫,৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ২ টি মামলায় ৫০০০ টাকা, দেবহাটা উপজেলায় ৩ টি মামলায় ৮০০ টাকা, কালিগঞ্জ উপজেলায় ৩ টি মামলায় ৭৫০০০ টাকা (১ টি অবৈধ ইট ভাটার অভিযানে ৬৫০০০ টাকা জরিমানা করা হয়), শ্যামনগর উপজেলায় ৫ টি মামলায় ২৭৫০০ টাকা, আশাশুনি ৪ টি মামলায় ২৭০০ টাকা, কলারোয়া উপজেলায় ৩ টি মামলায় ৯০০ টাকা এবং জেলা প্রশাসনের ৫ মামলায় ৩১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত করোনা প্রতিরোধে মোট ১৮৯৭ টি মামলায় প্রায় ২০ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অফিসে ত্রাণ তহবিলে খোলা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের ত্রাণ তহবিলে জেলা প্রশাসকের ঈদ বোনাস, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ১ দিনের বেতন সমপরিমান অর্থ, জেলা কৃষি বিভাগ তাদের ১ দিনের বেতন সমপরিমান অর্থ ত্রাণ তহবিল আর্থিক সাহায্য হিসেবে প্রদান করেছেন।

গত ৪/৫ দিন নারায়নগঞ্জ, মাদারিপুর এবং শরিয়তপুর থেকে সেখানে ঘোষিত লক ডাউনের মধ্যেও ১০ হাজারের মত মানুষ সাতক্ষীরা জেলাতে এসেছে। এদের মধ্যে ২৬৪৩ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টান এবং ৭১১৪ জনকে বাড়িতে কোয়ারেন্টান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ১৬ জন, শ্যামনগর উপজেলায় ৯৬ জন, কালীগঞ্জ উপজেলায় ১৬০০ জন এবং আশশুনি উপজেলায় ০৩ জন, দেবহাটা উপজেলায় ২৮ জন, তালা উপজেলায় ৯০০ জন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টানে রয়েছেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং আনসার ব্যাটালিয়নের সমম্বয়ে টহল জোরদার করা হয়েছে। সীমান্ত চেক পোস্ট বসানো হয়েছে। যে সকল মানুষ লক ডাউন উপেক্ষা করে বিভিন্ন জেলা থেকে সাতক্ষীরা জেলা সীমান্তে আসছে তাদেরকে ফিরিয়ে দেওয়া অমানবিক। যারা ফিরে আসছেন তাদের প্রাতিষ্ঠানিক এবং হোম কোয়ারেন্টান নিশ্চিত করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ আদেশ বহাল থাকবে। অমান্যকারীর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন ব্যবস্থ্য গ্রহণ করা হচ্ছে। সাতক্ষীরা থেকে করোনা টেস্টের জন্য এ পর্যন্ত ১৭৯ জনের নমুনা পাঠানো হয়েছে। ২১ জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। আশার কথা হলো সবাই করোনা নেগেটিভ।

করোনা পরিস্থিতিতি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা ওয়ার্ড-ইউনিয়ন পর্যায়ে তালিকাভুক্ত হতে সংকোচবোধ করছে কিন্তু খাদ্য সংকট আছেন এমন মধ্যবিত্ত পরিবারের নাম, ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বারসহ এসএমএস এর মাধ্যমে সংগ্রহ করে এখন পর্যন্ত ৫৭৭ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য সহায়তা পোঁছে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু মধ্যবিত্ত পরিবার ছাড়াও অনেক অতিরিক্ত এসএমএস ও ফোন দিচ্ছেন। সে কারণে এসএমএস এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমটি বন্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর মেয়রের মাধ্যমে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর তালিকা করে তাদের বাড়ি বাড়ি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেয়া হবে।

প্রতিটি উপজেলায় ইউনিয়ন ভিত্তিক দুঃস্থ ও সামাজিক নিরাপত্তা বলায়ের বাহিরে থাকা গরীব মানুষের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। ত্রাণসামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাওয়া মোট বরাদ্দ থেকে ইতোমধ্য উপজেলা, পৌরসভার অনুকূলে ৮৫০ মে: টন চাল এবং ৪২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌরসভার মেয়রগণ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুত করে এই ত্রাণ সহায়তা কর্মহীন হয় পড়া দুঃস্থ অসহায় মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন।

ইতোমধ্যে উপজেলা ও পৌরসভার ৬০ হাজার পরিবারের মাঝে সরকারি ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। সকল সরকারি ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে সকলকে ব্যাগের গায়ে “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার” কতাটি লিখে দেয়া হচ্ছে। সরকারি ত্রাণের তালিকা এবং বিতরণে অনিয়ম স্বজনপ্রীতি ও দূর্ণীতি হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং দুর্নীতি দমন আইনে মামলা করা হবে।

এছাড়া, দোকান খুলে দেয়ার কথা বলে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী দোকানদারদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিচ্ছেন তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঘরে থাকুন, বার বার সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন, নিরাপদে থাকুন। আপনি ঘরে থাকলে ভালো থাকবে আপনার পরিবার, ভালো থাকবে জাতি, ভালো থাকবে দেশ। জনস্বার্থে এ সকল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর