একদিকে লক ডাউন, অন্যদিকে পেটের ক্ষুধা-আমরা বাঁচবো কেমনে? সারাদেশ যখন করোনা আক্রান্তে আতঙ্কিত, একদিকে চলছে লক ডাউন, সাধারণ মানুষ নানাবিধ সমস্যায় নিমজ্জিত- সকল প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে।আজ(বৃহস্পতিবার) টিকা হতে বিমানবন্দর মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে পোশাকশিল্প শ্রমিকরা।
তারা দীর্ঘ চার মাস যাবত বেতন পায় না বলে দাবী করে- আজ সকাল হতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর মূল ফটকের সামনে মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছে।
প্রায় ৭০০শত শ্রমিক চারটি গার্মেন্টস হতে একত্রিত হয়ে অবরোধ শুরু করে। রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকার মোল্লারটেকের গার্মেন্টস চারটি হলো,(১) সার ডেনিম (২) ক্রিয়েটিভ গার্মেন্টস (৩) সি এন্ড ডি গার্মেন্টস ও (৪) রেদোয়ান টেক্সট এন্ড এ্যাপায়েরেন্স।
বিগত চারমাস শ্রমিকরা বেতন না পেয়ে এই আন্দোলন শুরু করে বলে জানায়।অবরোধের কারনে মূল সড়কের দুই ধারে প্রচুর গাড়ী জমায়েত হয় ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি করে। শ্রমিকরা বলে- আমরা আর পেটের ক্ষুধা সহ্য করতে পারি না। চারমাস আমরা কোন বেতন পাই না। ঘরভাড়া দিতে পারিনা।
মনোয়ারা ,গার্মেন্টস কর্মী ,জানায়- সকাল বেলা আমরা রাস্তায় নেমে আসলে এপিপিএন পুলিশ আমার পেটে লাথি মারে। আমাদের দাবী কেউ মেনে নিচ্ছে না। গার্মেন্টস মালিক, বিজিএমইএ’তে আমরা গিয়েছি, আমাদের কোন মূল্যায়ণ কেউ করে না। কেউ শুনে না আমাদের হাহাকার।
কাওছার, গার্মেন্টস কর্মী,জানান-সকাল থিকে তারা রাস্তায় নেমে আসলে এপিপিএন পুলিশ তাদের দুই মহিলা কর্মীকে পেটে লাথি মারে। আমাদের দাবী কেউ মেনে নিচ্ছে না। গার্মেন্টস মালিক, বিজিএমইএ’তে আমরা গিয়েছি, আমাদের কোন মূল্যায়ণ কেউ করে না। কেউ শুনে না আমাদের হাহাকার।
এখন পর্যন্ত শ্রমিকরা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে রাস্তায় অবস্থান করছে। পুলিশ প্রশাসন তাদের সাথে আছে কিন্তু বিশেষ কোন প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি। শ্রমিকরা বলেন- আমাদের বেতনের দাবী মেনে না নেয়া পর্যন্ত আমরা এই আন্দোলন চালিয়ে যাব।
কেএ/বার্তাবাজার