ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জ এর পাশের জেলা মুন্সীগঞ্জে করোনায় মৃত্যু বরণ করলেন ৪ জন, নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৫ জন।
করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও মুন্সীগঞ্জের মানুষের মাঝে তোমন একটা সচেতনতা লক্ষ্য করা যায় না। অবাধে চলাফেরা করছে সর্বত্র। পলিশ প্রশাসন ও জেলা প্রশাসক, সাংবাদিক যথেষ্ট চেষ্টা করার পরেও তাদেরকে ঘরমুখে করতে পারছে না কেউ। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাজার করছে না কেউ। ব্যাংগুলোতে দাড়িয়ে থাকলে মনে হয় এদেশে কোন মহামারির লক্ষণ নাই। তাদের ঠাসাঠাসি দেখে খুবই আফসোস হয়।
নতুন সনাক্ত হয়েছে সদরে ১জন, টংগীবাড়ি ১, লৌহজং ২, গজারিয়া ১জন, সিরাজদিখান ০, শ্রীনগর ০, মোট ৫জন। এখন পর্যন্ত মুন্সীগঞ্জে সর্বমোট করোনা শনাক্ত হয়েছে সদর ৩, টংগীবাড়ি ৭, লৌহজং ৩, গজারিয়া ৭, সিরাজদিখান ৩, শ্রীনগর ১জন মিলে সর্বমোট ২৪ জন। এখন পর্যন্ত মত্যু হয়েছে ৪জনের, সদর ১ জন, টংগীবাড়ি ২জন, লৌহজং ১জন।
করোনা ভাইরাসে শনাক্ত ১৭ জন এখনও সুস্থ আছেন। টঙ্গীবাড়ির তিনজন এবং গজারিয়ার একজন বাদে বাকি ১৩ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। বাকিরা বাড়িতেই আইসোলেশনে সুস্থ আছেন।
কোয়ারেন্টাইনে আছেন ২৫জন, ছাড়পত্র নিয়েগেছেন ১জন, মোট কোয়ারেন্টাইন করেছেন ৯০৭জন, ছাড়পত্র নিয়েছেন ৬৯৬জন। বর্তমানে হাসপাতালে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১জন হোম কেয়ারেন্টাইনে আছেন ২১০জন সর্বমোট ২১১ জন।
মুন্সীগঞ্জ শহরে মঙ্গলবার প্রথম করোনা শনাক্ত হয়েছে মানিকপুরের এক বৃদ্ধের (৬০)। লুঙ্গি এবং হাফ হাতার ফতুয়া ও স্যান্ডেল পরেই পায়ে হেঁটে এসে তিনি অ্যাম্বুলেন্সে ওঠেন। এই বৃদ্ধের বাড়ি লকডাউন করেছে প্রশাসন।
গজারিয়ায় আক্রান্ত ৬। গজারিয়া উপজেলায় নতুন করে আরও দু’জন আক্রান্ত হয়েছে। এর একজন গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট (৫৪)। অপরজন বাউশিয়ার গ্রামের এক গৃহিণী (৫৫)। তাদের দু’জনকেই চিকিৎসার জন্য ঢাকার করোনা চিকিৎসালয় কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. আবুল কালাম আজাদ এই তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ১৬৫ জনের সোয়াব আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ ৬ উপজেলা নতুন আক্রান্ত হয়েছে ৫ জন, সর্বমোট হয়েছে ২৪জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মুত্যু হয়েছে ২জনের। অদ্য পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে সদর ১জন, টংগীবাড়ি ২জন লৌহজং ১জন সর্বমোট ৪জন। এ পর্যন্ত সুস্থ্য রোগীর সংখ্যা নেই।
বার্তা বাজার/এম.সি