মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার দেওয়া উপহার সামগ্রী বিতরণ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শৃঙ্খলার সাথে এক হাজার মানুষের মধ্যে পৌরসভার পক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার দেওয়া উপহার সামগ্রী বিতরণের আনুষ্ঠিক উদ্ধোধন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে নয়টায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার উপহার সামগ্রী পাকুন্দিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে শৃঙ্খলার সাথে পৌরসভার পক্ষে বিতরণের আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করেন পৌর মেয়ের অাক্তারুজ্জামান খোকন।

এ সময় পৌর মেয়র আক্তারুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এস এম সাইফুল আলম, পৌর সচিব সৈয়দ শফিকুর রহমান সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

পৌর এলাকার লোকজন জানান, দেশব্যাপী করোনা মোকাবিলায় মানুষ ঘরে বসে থাকতে গিয়ে জীবন যাপন অনেকটা স্থবির হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ ও দরিদ্ররা অনেক কষ্টের মধ্য দিয়ে কাটাচ্ছে। এ অবস্থায় সরকারি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি অনেকেই নিজেস্ব অর্থায়নে গরিব-দুখিদের পাশে এগিয়ে আসছে। এর মধ্যে পাকুন্দিয়া পৌর মেয়র অাক্তারুজ্জামান খোকন একজন। তিনি সরকারি ভাবে যতো ত্রাণ পেয়েছেন, তার চেয়ে বেশি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছেন।

পাকুন্দিয়া পৌর সচিব সৈয়দ শফিকুর রহমান জানান, আমরা করোনা সংকটের সময়ে পাকুন্দিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ১০০০টি পরিবারের হাতে ১০ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু করে জন প্রতি তুলে দিচ্ছি। আগামী শুক্র ও শনিবারের মধ্যে বিতরণ শেষ হবে বলে অাশাবাদ ব্যাক্ত করেন।

পৌর এলাকার খুদ্র ব্যাবসায়ী শহজাহান মেয়রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ‘ কি রোগ আসলো দেশে, ঘর থেকে বাইরে বের হতে পারছিনা। ভাগ্যিস আমাদের পাকুন্দিয়া পৌর মেয়র পাশে ছিল। তার হাত দিয়ে ১০ কেজি চাল ও ৫ কেজি আলু পেয়েছি। এই পন্য না পেলে হয়তো উপোষ থাকা লাগত।

পৌর মেয়র অাক্তারুজ্জামান খোকন বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণের (কোভিড-১৯) পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট সংকটে কর্মহীন হয়ে পড়া এক হাজার মানুষের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া উপহার সামগ্রী তুলে দিচ্ছি আগেও চারশত হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ১০ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু এবং ২ কেজি ডাল সামগ্রী তুলে দিয়েছি, আশা করছি ভবিষ্যতেও আরো আটশত কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিতে পারিব। বর্তমানে নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান ছাড়া সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। এর ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে রয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শ্রমিক, ভ্যানচালক, অটোরিক্সাচালক ও চা বিক্রেতারা।
আমাদের সবার উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে সামর্থ সাপেক্ষে সমাজের এ সমস্ত খেটে খাওয়া গরিব দুখিদের আর্থিক সহায়তা করা। আমি যতদিন বেঁচে থাকব, সাধ্য অনুযায়ি এ সমস্ত মানুষের পাশে থাকবো ইনশাল্লাহ।

বার্তা বাজার/এম.সি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর