প্রতিদিনের ন্যায় বুধবার সকালে রুহুল আমিন গাজী তরমুজ ক্ষেতে গিয়ে দেখেন তার ক্ষেতে উৎপাদিত বড় সাইজের প্রায় দুইশত তরমুজ দুর্বৃত্তরা মাঝখান দিয়ে দাঁড়ালো দাঁ অথবা কাঁচি দিয়ে কুপিয়ে কেঁটে ফেলেছে। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষনিক স্থাণীয়দের ও ইউপি সদস্যকে জানান।
সারাদেশে যখন করোনাভাইরাস নিয়ে মানুষ উৎকষ্ঠিত, ঘর থেকে মানুষ বের হয়না। ঠিক সেই মুহুর্তে এক গরীব অসহায় তরমুজ চাষীর ক্ষেতে থাকা তার উৎপাদিত তরমুজ দাঁড়ালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রেখে গেছে কতিপয় মানুষরূপী জানোয়ার।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতের কোন একটার সময় বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর রাওঘা গ্রামে।
স্থাণীয় সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর রাওঘা গ্রামের তরমুজ চাষী রুহুল আমিন গাজী। তিনি তার পৈত্রিকসূত্রে পাওয়া দুই একর সম্পত্তিতে প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ করে তরমুজ চাষ করেন।বতর্মানে তার ক্ষেতের তরমুজগুলো বড় হয়ে খাওয়া ও বিক্রি করার উপযুক্ত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শি মনিরা ও সাব্বির আহম্মেদ জানান, ক্ষেতের উৎপাদিত তরমুজ কেঁটে ফেলার কথা শুনে আমরাসহ স্থাণীয়রা ঘটনাস্থলে এসে দেখি ক্ষেতের মধ্যে বড় সাইজের প্রতিটি তরমুজের মাঝখান দিয়ে কুপিয়ে কেঁটে ফেলা হয়েছে।
চাষী রুহুল আমি গাজী কান্না কণ্ঠে বার্তা বাজার কে বলেন , আমি গরীব মানুষ এই গ্রামে আমার সাথে কারো কোন শত্রুতা নেই। অনেক কষ্ট করে পরিবার পরিজন নিয়ে দিনরাত শ্রম দিয়ে এই ক্ষেতে তরমুজ চাষ করেছি। এখন আমার সব শেষ হয়ে গেলো। আমি এর বিচার চাই।
স্থাণীয় ইউপি সদস্য সিদ্দিকুর রহমান বলেন, অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত¡রা রাতের আধারে চাষী রুহুল আমিন গাজীর ক্ষেতের তরমুজ কুপিয়ে রেখে গেছে। তিনি আরো বলেন, কারা এ ঘটনার সাথে জড়িত তাদের খুজে বের করা চেষ্টা চলছে।
আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহআলম মুঠোফোনে বার্তা বাজার কে বলেন , এ বিষয়ে থানায় কেহ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কেএ/বার্তাবাজার