মহামারি করোনায় সবকিছু স্তব্ধ হয়ে গেছে। এখন মানুষের মৃত্যুতে জানাজা এবং দাফনের জন্য কেউ এগিয়ে আসে না। তবে এবারও সেই পুলিশই ভরসা। তবে সাথে ছিল সাংবাদিকরাও, পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি দেখিয়েছেন মানবতা কি।
৫০ বছর বয়সের রেনু বেগম। পরিবারের রয়েছে প্রতিবন্ধী একটা মেয়ে। গত রবিবার হঠাৎ স্টক করেন। স্থানীয়রা বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। মঙ্গলবার ভোর রাতে রেনু বেগম শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ। পরিবারে রয়েছে একটি মাত্র মেয়ে,সেটাও প্রতিবন্ধী। জানাজা এবং দাফন করানোর মত বাড়ির ভিতরে কোন লোক প্রথমত এগিয়ে আসেনি।
বেতাগী উপজেলার চান্দখালী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক আব্দুস সালাম এবং সঙ্গীয় ফোর্স সহ বিজয় টিভির বরগুনা জেলা প্রতিনিধি মোঃ জুলহাস মিয়া এবং বার্তা বাজারের বরগুনা প্রতিনিধি মোঃ মেহেদী হাসান মৃত রেনু বেগমের বাড়ি যায়।
স্থানীয় মেম্বার কামাল হোসেনের সহযোগিতায় জানাজার ব্যবস্থা করেন পুলিশ ও সাংবাদিকরা। বাড়ির ভিতর ১০ পরিবারের লোকজন থাকলেও মাত্র চারজন লোক এগিয়ে আসেন জানাযা পড়তে। দাফন সম্পন্ন হয় পুলিশের মাধ্যমে।
এ বিষয়ে চান্দখালী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক আব্দুস সালাম বলেন, ওই এলাকার মানুষ গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছিল। মৃত বৃদ্ধ রেনু রবিবার স্টক করেন। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার মারা যায় সে। এরপর তার জানাজা ও দাফন নিয়ে শুরু হয় নানান কথা এরপর দায়িত্ব নেয় তারা। এসময় তিনি বলেন বাংলাদেশ পুলিশ অসহায় মানুষের পাশে আছে সব সময়।
কেএ/বার্তাবাজার