যশোর আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে হাজতি পলায়ন: পুলিশের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা

করোনাই আক্রান্ত হয়ে সুজন(২৫)নামে এক হাজতি হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় যশোর জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডের জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্ব অবহেলার জন্য দুইজন পুলিশ ও ১৩ জন কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত রোববার(১২ই এপ্রিল)রাতে আসামি সুজন(২৫)পালিয়ে যায়।এখনো পর্যন্ত আসামিকে আটক করতে পারেনি পুলিশ

তিনি যশোর শহরের মোল্ল্যা বারান্দিপাড়া আমতলা এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকতেন।সুজনের নামে যশোর কোতয়ালি মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় জেলহাজতে পাঠানো হয়।আসামি সুজনের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার বাহাদুরপুর কাজীপাড়া গ্রামের রনজিত মল্লিকের ছেলে।

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার তুহিন কান্তি খাঁন জানান,দায়িত্বে অবহেলার জন্য ১৩ কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান,আসামির ডিউটিতে থাকা দুই পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।তবে কী ব্যবস্থা সেটা তারা বিস্তারিত বলেননি।

এদিকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সংশ্লিষ্টরা জানান,করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ড হওয়ার কারণে চিকিৎসকরা পুলিশ ও কারারক্ষীদের সেখান থেকে বের করে দেন।সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সুজন ওয়ার্ডের জানালা ভেঙে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

বার্তা বাজার/এম.সি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর