কুর্নিশ নারীজাতি!‌ ৭টি দেশের ৭ দেশনেত্রীর সামনে ঝিমিয়ে পড়ছে করোনা

‘‌দেশ চালাতে গেলে পুরুষ সিংহের দরকার। নারীদের কোমলতা এই কঠিন কাজের জন্য উপযুক্ত নয়।’‌ গোটা পৃথিবী তো এখনও এই ভাবনা নিয়েই চলেছে। তবে আর না। দেখা যাচ্ছে, এই কোমলতা, মমত্ব, নমনীয়তা বা অনেকে বলেন ‘‌দুর্বলতা’‌, ইত্যাদি ইত্যাদিই আজ দুনিয়ায় মানবজাতিকে বাঁচাতে পারছে।

জানেন কি?‌ পৃথিবীর সাত‌টি দেশকে করোনা এখনও কাবু করতে পারেনি। জার্মানি, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, তাইওয়ান, আইসল্যান্ড ও ডেনমার্ক। বুঝতেই পারছেন কী বলতে চাইছি। এই সাতটি দেশের নিয়মকানুন এখন সাতজন মহিলার হাতে। তাঁদর কোমল হৃদয়ই দেশের নাগরিকদের আগলে রেখেছে। করোনার প্রকোপ পড়েনি তা নয়। কিন্তু রেখাচিত্রটি ওপরে না উঠে পাশাপাশি এগিয়ে চলেছে। কোথাও কোথাও ক্রমশ নীচে নামতেও শুরু করেছে। টুইটার ভেসে যাচ্ছে সেই দেশনেত্রীদের প্রশংসায়। স্বাস্থ্য খাতে টাকা কমিয়ে যে বিপদে আজ ইটালি পড়েছে সেরকম ভুল এই দেশগুলি করেনি।

পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রস্তুত ছিল এই সাতটি দেশ। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে তাঁদের প্রয়োজনীয় সব জিনিস সময়মতো পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে নাগরিকদের কাছ থেকে লোকানো হয়নি কোনও তথ্য। বেলজিয়ামে সোফি উইলমেজ, জার্মানিতে অ্যাঞ্জেলা মার্কেল, ফিনল্যান্ডে সানা ম্যারিন, তাইওয়ানে সাই ইং–ওয়েন, আইসল্যান্ডে ক্যাট্রিন জ্যাকবস্‌ডটির, নিউজিল্যান্ডে জেসিন্ডা আর্ডর্ন ও ডেনমার্কে মেটি ফ্রেডরিকসন।

পুরুষ সিংহদের গর্জনের বাইরে আজ একটু পাখির কলতান শোনা যাচ্ছে। সেই কলতানকে দুর্বল, অসহায় ভাববেন না। সেই মিঠে আওয়াজের যা জোর!‌ সবকিছুকে টলিয়ে দিচ্ছে। এমনকি করোনাকেও, যার কবলে গোটা পৃথিবী আজ নাজেহাল। পৃথিবীর বাকি দেশগুলির শেখা উচিত। কীভাবে এই সাতজন মহিলা করোনাকে রুখে দিতে সক্ষম হচ্ছেন।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর