বিশ্ব ব্যাঙ্কের নতুন হুঁশিয়ারি

এই সমস্যা ভারত-সহ সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার। কারণ এই অঞ্চলের জনঘনত্ব প্রবল বেশি। পরিযায়ী শ্রমিকদের মতো গরিব মানুষরা ঘিঞ্জি এলাকায়, বস্তি অঞ্চলে থাকেন। সেখানে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মানা সম্ভবই নয়।

যে সব অঞ্চলে এখনও কোভিড-১৯ ছড়ায়নি, পরিযায়ী শ্রমিকদের থেকে তা সে সব অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। কারণ, তাঁরা যে ভাবে ভিড় করে ফিরছেন, সেখানে কোনও সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকছে না, কাজেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার ভয় প্রবল। রবিবার প্রকাশিত একটি রিপোর্টে এ কথা জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাঙ্ক। পরিযায়ী শ্রমিকদের ভাইরাসের ‘বাহক’ হিসেবে বলা হয়েছে এতে।

তাদের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সমস্যা ভারত-সহ সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার। কারণ এই অঞ্চলের জনঘনত্ব প্রবল বেশি। পরিযায়ী শ্রমিকদের মতো গরিব মানুষরা ঘিঞ্জি এলাকায়, বস্তি অঞ্চলে থাকেন। সেখানে সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং মানা সম্ভবই নয়। তা ছাড়া তাঁদের কাছে যথেষ্ট পরিমাণে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজর পৌঁছচ্ছে না। ফলে ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধিও তাঁরা মানতে পারছেন না। কাজেই অভ্যন্তরীণ সংক্রমণ রোখাই সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

বিশ্বব্যাঙ্কের পরামর্শ, রিভার্স মাইগ্রেশন নিয়ে যে বড় তথ্যভাণ্ডার রয়েছে ও ডিজিটাল ডেটা অ্যানালিসিসের যে সুযোগ রয়েছে, তা বিশ্লেষণ করে ভারত হটস্পট চিহ্নিত করুক। তা করতে না পারলে পরিযায়ী শ্রমিকদের যাবতীয় সামাজিক নিরাপত্তা দিয়ে আটকে রাখা হোক যে যেখানে রয়েছেন সেখানেই। তাঁদের খাদ্য, বাসস্থানের ব্যবস্থা করুক সরকার।

বার্তাবাজার/কে.জে.পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর