নোয়াখালীতে মানছে না লকডাউন, দলবেঁধে চলছে ঘুরাফেরা

করনো সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে নোয়াখালী জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হলেও এর মধ্যেই দলবেঁধে ঘুরাফেরা, মাঠে খেলাধূলা, যানবাহন চলাচল ও নির্মাণ কাজ সহ সব কিছু আগের মতোই চলছে। প্রবাসী অধ্যুসিত এ জেলায় গত কয়েকদিনে ঢাকা, নারায়নগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক লোক ফিরে আসে।

যার কারণে সামাজিক দূরত্ব না মানায় করনো সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়েই চলছে। এমনিতেই গত বৃহস্পতিবার সোনাইমুড়িতে ইতালি প্রবাসি এক ব্যক্তির মৃত্যু পর জেলাবাসীর মধ্যে আতংক বিরাজ করছে।

করনো সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে শনিবার ভোর ৬টা থেকে পুরো নোয়াখালী জেলাকে অর্নিদিষ্টকালের লকডাউন ঘোষণা করা হয়। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত জেলা কমিটির সভা করে জেলা প্রশাসক তন্ময় দাস এ ঘোষণা দেন। লকডাউনের পর জেলায় কারো আগমন এবং বর্হিগমন নিষিদ্ধকরা হয়।

একই সাথে নিষিদ্ধ করা হয় এক উপজেলা মানুষ অন্য উপজেলায়, এক ইউনিয়নের মানুষ অন্য ইউনিয়নে এবং এক ওয়ার্ডের মানুষ অন্য ওয়ার্ডে যাওয়া আসা। জরুরী পরিসেবা সমুহের যানবাহন ছাড়া অন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখতে আদেশ দেওয়া হয়।

রবিবার সকাল থেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জেলা বিভিন্ন স্থানে দলবেঁধে ঘুরাফেরা, মাঠে খেলাধূলা, যানবাহন চলাচল ও নির্মাণ কাজ করতে দেখা যায়। চৌমুহনী-মাইজদী সড়কে যানবাহনে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি যাত্রী পরিবহণ করতে দেখা যায়। এছাড়া প্রত্যন্ত গ্রামা ল ও শহরের পাড়াগুলোতে এখনও মানুষের ভিড় দেখা যায়।

এ ব্যাপারে শ্রমজীবী মানুষের বক্তব্য হচ্ছে পরিবারের খাবারের জোগানের জন্যই বাধ্য হয়ে তাদেরকে বের হতে হয়েছে। আবার কেউ কেউ বাইরে বের হওয়ার জন্য খোড়া যুক্তি দাঁড় করান।

এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মোমিনুর রহমান জানান, লকডাউন ঘোষণার পর বাইরের জেলার কারো আগমন এবং জেলা থেকে বাইরে গমন ঠেকাতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটগণ তৎপর রয়েছেন। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারি দেন তিনি।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর