কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আফরোজা কুসুম। আর একই উপজেলার ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন জিয়া। সম্পর্কে দুজন স্বামী স্ত্রী। চেয়ারম্যান শাহীনের দ্বিতীয় স্ত্রী এই কুসুম। এবার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কুসুম যৌতুক ও নারী নির্যাতনের মামলা করলেন স্বামী ইউপি চেয়ারম্যান শাহীনের নামে। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, অতি সম্প্রতি কুসুম নিজেই বাদী হয়ে আদালতে এই মামলাটি করেন। আসামী করেন স্বামী শাহীন জিয়াসহ আরও ৪ জনকে। আতালতও মামলাটিকে আমলে নিয়ে পিবিআই কে নির্দেশ দিয়েছেন তদন্ত করার জন্য। তদন্ত কর্মকর্তা হিসাবে আছেন পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ পরিদর্শক মো.মোবারক হোসেন
আফরোজা কুসুম জানান, শাহীন জিয়া আমাকে বিয়ের পর থেকে প্রায়ই যৌতুকের জন্য নির্যাতন ও মারধর করে আসছে। জনপ্রতিনিধি হিসাবে আমি লজ্জা ও মান সম্মানের ভয়ে এসব কথা এতদিন প্রকাশ করিনি। কিন্তু ইদানীং তার অত্যাচারের মাত্রা সকল সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে। এছাড়া আমি তার কাছে সামাজিক স্বীকৃতি চেয়েছি, এজন্যও সে আমার কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেছে। এসব কারনে বাধ্য হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছি।
এদিকে, এসব প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শাহীন জিয়ার রোববার (১২ এপ্রিল) বিকেলে বলেন, আসলে বিষয়টা আমার জানার বাইরে। তাই এই বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ পরিদর্শক মো.মোবারক হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তখন বিস্তারিত জানা যাবে।
বার্তাবাজার/এসজে