খাদ্য চাহিদা পূরণ করতে না পারলে ভেঙ্গে পড়তে পারে আইন শৃঙ্খলা ব্যবস্থা

এদের দেশের জনসংখ্যার মধ্যে রয়েছে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত এই তিন ক্যাটাগরির মানুষ। তাদের পরিচয় জেনে নিন।

উচ্চবিত্ত শ্রেণি: কল-কারখানার মালিক, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, এমপি-মন্ত্রী, ধনী ব্যবসায়ী প্রভৃতি এ শ্রেণিভুক্ত। মধ্যবিত্ত শ্রেণি: শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলীসহ পেশাজীবী শ্রেণি মধ্যবিত্ত শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে আবার উচ্চ-মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। নিম্নবিত্ত শ্রেণি: কৃষক, শ্রমিক, কর্মজীবী, দিনমজুর প্রভৃতি অবস্থানের মানুষ এ শ্রেণির অধিভুক্ত।

মধ্যবিত্ত শ্রেণিঃ মধ্যবিত্ত শ্রেণি যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে পারলেও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সীমিত আয়ের কারণে অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে প্রায় ‘নেই’ হয়ে যায়। তখন তারা সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় আর্থিক সহযোগিতা না পাওয়ার কারণে বিপাকে পড়ে।

মানুষের মৌলিক অধিকার অন্ন। এজন্য প্রথম এবং প্রধান ধাপ হলো সবার আগে খাদ্য। আর নিরাপদ খাদ্য দিয়ে যদি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না যায় তাহলে মানব জীবনই বৃথা।

সাম্প্রতিক বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় ও ঘরে থাকার নির্দেশনা মানতে গিয়ে নিম্নআয়ের মানুষের আয় প্রায় ‘নেই’ হয়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে চরম দারিদ্র্যের হার আগের তুলনায় বেড়ে গেছে ৬০ শতাংশ। করোনায় সৃষ্ট পরিস্থিতিতে দেশের ১৪ শতাংশ মানুষেরই ঘরে কোনো খাবারই নেই।

বর্তমান পরিস্থিতি আরো কিছুদিন স্থায়ী হলে প্রায় ‘নেই’ হওয়া মানুষের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে। সামাজিক দূরত্বের পদক্ষেপ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য দেশব্যাপী খাদ্য সংকটে পড়া মানুষের কাছে অতি শীঘ্রই খাদ্য পৌঁছাতে হবে, নয়তো তাদের ঘরে রাখা সম্ভব হবে না।

জীবিকা অর্জনে তারা বাইরে বের হতে বাধ্য হবেন। তখন ভেঙ্গে পড়বে আইন শৃঙ্খলা ব্যবস্থা। এ মুহূর্তে সরকারের উচিত এই সমস্ত মানুষদের ঘরে রাখার জন্য খাদ্য চাহিদা পূরণ করা।

লেখকঃ সাংবাদিক আবদুল করিম
লোহাগাড়া প্রতিনিধি, বার্তা বাজার

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর