করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর কারণে সারাদেশের মানুষ কার্যত গৃহবন্দী এবং সকল সরকারি -বেসরকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এর ফলে খেটে খাওয়া মানুষের আয়ের কোনো পথ নেই। এহেন দূর্বিষহ অবস্থায় রোজগারহীন অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন সহ ব্যক্তি উদ্যোগেও ত্রাণ (নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী) বিতরণ চলছে।
এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (১২ এপ্রিল) সকালে ধামরাই উপজেলা পরিষদের বারবার নির্বাচিত মহিলা ভাইস- চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট সোহানা জেসমিন মুক্তা ব্যক্তিগত ভাবে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ২০০ হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা (পরিবার প্রতি ৫ কেজি চালের মূল্য) প্রদান করেন।

এই আর্থিক সহায়তা প্রদানের সময় ডাক্তার আলমগীর কবির সহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা তার সাথে উপস্থিত ছিলেন। পরে বিকালে ধামরাই পৌরসভার ৯টা ওয়ার্ডে এ্যাড. সোহানা জেসমিনের উপস্থিতিতে ৩০০ টি পরিবারের মাঝে ৫ কেজি করে সরকারি অনুদানের (জি আর) চাল প্রদান করা হয়।

এব্যাপারে গণমাধ্যমকে ধামরাই উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান এ্যাড. সোহানা জেসমিন মুক্তা বলেন, সবসময়েই ধামরাইবাসীর পাশে ছিলাম। করোনা ভাইরাসের কারণে বর্তমানে সৃষ্ট এই মহামারি ও দূর্যোগের কারণে দৈনিক খেটে খাওয়া মানুষ সহ নিম্নবিত্তের মানুষের তিনবেলা আহার জোটানোই এখন কষ্টকর। এজন্য একজন জনপ্রতিনিধি হবার পাশাপাশি সর্বাগ্রে একজন মানুষ হিসেবে নিজের সামাজিক দায়বদ্ধতায় এসব অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো আমার কর্তব্য। আজ (রবিবার) সকালে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড এর ২০০ পরিবারকে আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছি।
তিনি আরও জানান, করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ও প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ‘তাতক্ষণিক মানবিক সহায়তা (জি আর) প্রদান করা হচ্ছে অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে। আজ (রবিবার) আমার উপস্থিতিতে বিকালে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৩০০ পরিবারের মাঝে এই ‘জি আর’ এর ৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়। এরকম মানবিক কাজে সম্পৃক্ত থাকার সুযোগ করে দেবার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই।
কেএ/বার্তাবাজার