প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে দেশের একটি বেসরকারি একজন সাংবাদিকের সংস্পর্শে থাকায় তার যে ৪৭ সহকর্মীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছিল, তাদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইন শেষ হয়েছে। এই সময়ে তাদের কারও মধ্যে করোনার লক্ষণ বা উপসর্গ পাওয়া যায়নি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে ওই টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও প্রধান সম্পাদক বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমরা অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমাদের ৪৭ সহকর্মীর কোয়ারেন্টাইনে থাকার সময়সীমা ৯ এপ্রিল শেষ হয়েছে। তাদের মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোনো লক্ষণ-উপসর্গ দেখা যায়নি। বাংলাদেশের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) মতামত অনুযায়ী তারা সবাই অফিসে ফিরে কাজ করতে পারবেন। তবে বাড়তি সতর্কতার অংশ হিসেবে আমরা তাদের বাড়িতে থেকে আরও বেশ কয়েকদিন পর অফিসে জয়েন করার পরামর্শ দিয়েছি।
তিনি আরও বলেন, টেলিভিশনের যে সহকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তার শরীরে আপাতত কোনো জ্বর নেই। তবে গলা ব্যথা ও হালকা শুকনো কাশি রয়েছে। আমরা তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।
এর আগে দেশের প্রথম সাংবাদিক হিসেবে করোনায় আক্রান্ত হন ওই সংবাদকর্মী। গত ২৬ মার্চ তার শরীরে জ্বর দেখা দেয়ায় তাকে সেদিনই ছুটি দেয়া হয়। এই ঘটনার পর তার সংস্পর্শে যাওয়া সেই ৪৭ রিপোর্টার-ক্যামেরাপারসন ও কর্মকর্তাকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়।
এদিকে, ওই সাংবাদিকের পর আরও তিন সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজন একটি টেলিভিশনের এবং দুজন দুটি পত্রিকার। টেলিভিশনের ওই সাংবাদিকের সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যও আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস