রাজধানী ঢাকা এবং তার আশপাশ এলাকা যখন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তখন এখানকায় কর্মরত লোকজন করোনার ভয়ে পালিয়ে ট্রাক, মিনিট্রাক, পায়ে হেঁটেও এসেছে গ্রামে। আর এতে আতংকে রয়েছে পুরো গ্রামবাসী। এমনই চিত্র দেশের বিভিন্ন এলাকার।
ঝালকাঠীর সদর উপজেলার বিনয়কাঠী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় করোনার হটস্পট ঢাকা এবং নারায়নগঞ্জ হতে এসেছেন অনেকেই। আর তারা মানছেন না হোম কোয়ারেন্টাইন। এতে এই এলাকায় করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিনয়কাঠী ইউনিয়নের অনেকেই ঢাকা ও নারায়নগঞ্জের বিভিন্ন মিল-কারখানায় চাকুরী করে। তাদের মধ্যে অনেকেই এ সপ্তাহেই গ্রামের বাড়ীতে এসেছেন। তাদের কেউ কেউ জ্বর,সর্দি-কাঁশিতে আক্রান্ত। ইতিমধ্যে গরংগা গ্রামে করোনার সন্দেহে একজনের নমুনাও সংগ্রহ করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
এদিকে গ্রামে ফিরেই তারা দেদারসে চলাফেরা করছে। মানছেন না হোম কোয়ারেন্টাইন। বিশেষ করে গ্রামের চায়ের দোকানগুলো খোলা থাকায় কেরাম খেলার আসর জমে উঠে রীতিমতো। সূত্র আরও জানায়, শহরের আশেপাশের বিভিন্ন হাট-বাজার দিনের বেলায় বন্ধ হওয়ায় এ গ্রামের চায়ের দোকানগুলো গভীররাত পর্যন্ত জমজমাট চলে। গ্রামের সচেতন মহল বুঝানোর চেষ্টা করলেও যত্রতত্র চলাফেরা বন্ধ করছেনা কেউ।
এ ব্যাপারে ২নং বিনয়কাঠী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম খাঁন এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে আমার ইউনিয়নে মাইকিং করে বর্তমান পরিস্থিতিতে সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছি। আর ঢাকা ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছি।
কেএ/বার্তাবাজার