কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় এই প্রথম একজন করোনা ভইরাসে সনাক্ত হওয়ার পর ৪ টি গ্রাম লকডাউন ও স্তব্ধ হয়ে পরেছে তিতাস উপজেলার সর্বত্র। মহামারী করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিতাস উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মোহাম্মদ সরফরাজ হোসেন খান।
ইউ এইচ ও সাংবাদিকদের জানান, গত ০৬ ও ০৭ এপ্রিলে মোট আট জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষার জন ঢকা শিশু হাসপাতালে পাঠানো হয় এর মধ্যে আমরা গতকাল বিকালে ৪ জনের পরিক্ষার রিপোর্ট পেয়েছি এর মধ্যে ৩ জনের নেগেটিভ আর ১ জনের প্রজেটিভ রিপোর্ট আসছে।
আক্রান্তকারীর ঠিকানা হচ্ছে উপজেলার সদর কড়িকান্দি ইউনিয়নের বিরাম কান্দি গ্রামের মোঃ জালাল উদ্দিন (৫০)। তিনি আরো জানান,পরিক্ষার রিপোর্ট পেয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ,উপজেলা নির্বাহী অফিসার,তিতাস থানার অফিসার ইনচার্জ কে অবহিত তখন তাৎক্ষনিক আমরা সকলে তাদের গ্রামে গিয়ে বাড়ী লকডাউন করি।
এছাড়াও সে কোথায় অব¯’ান করেছিল ও আত্নীয় স্বজন কে কে সংক্রমন হয়েছিল এবং কোন ডাক্তার ধারা চিকিৎসা করেছিল সব খোজ খবর নিয়ে তাদের বাড়ীও লকডাউন করা হয়েছে, তার সাথে সাথে বিরামকান্দি,মনাইরকান্দি,গাজীপুর ও সাগর ফেনা গ্রামও লকডাউন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা জায়, জালাল উদ্দিন গত ৫ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে সে ঢাকা থেকে বাড়ীতে আসে তখন তাকে এলাকার লোকজন সন্দেহ করে পর দিন সকালে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তাৎক্ষনিক তার বাড়ীতে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে এনে ঢাকা পাঠানো হয় এবং রিপোর্ট প্রজেটিভ আসে।
আজ শুক্রবার তার স্ত্রী ও তিন সন্তান এবং পাশের বাড়ীর ১জনের নমুনা সংগ্রহ করে রিপোর্টের জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকার অনুরোধ করে বলেন,এই মহামারী অব¯’ায় দয়া করে সকলে যার যার অব¯’ানে থাকেন, কেউ অযথায় বাড়ীর বাহিরে বের হবেন না, যদি বাহির হন তাহলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আপনাদের উপর কঠিন ভাবে হস্তক্ষেপ করবে।
কেএ/বার্তাবাজার