ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের গণ বিজ্ঞপ্তির আলোকে অঘোষিত লকডাউন বিরাজ করছে শহর ও সমগ্র জেলা জুরে। তবে প্রশাসনের সাথে কথা বলে জানা গেছে করোনা রোগি শনাক্ত হলেই পুর্নাঙ্গ লকডাউন এরপথে হাটবে ফরিদপুর।
এরই মাঝে সব জেলার সাথে সংযোগ বিছিন্ন করতে জেলার মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কের ১৭টি চেক পোষ্ট বসিয়ে সারাদেশের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন না হলে তেমন কাউকে ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করা হলেও নিম্ন আয়ের কিছু মানুষ বের হচ্ছেন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে। তবে তাদের ঘরে ফেরাতে কাজ করছে জেলা পুলিশের সদস্যরা।
এদিকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় ফরিদপুরের স্থানীয় সচেতন এলাকাবাসী অনেক স্থানে নিজেরাই নিজেদের এলাকাগুলোর প্রবেশ পথ বন্ধ করে লকডাউন ঘোষনা করছে। তবে লকডাউনে থাকা অনেকে তাদের সংসারের আর্থিক টানা পড়নের ভিতর আছেন বলে জানিয়েছেন। অন্যদিকে নিদিষ্ট সামাজিক দৃরুত্ব বজায় রাখার কথা থাকলেও অনেকে তা মানছেন না জেলায়। আর এ কারনে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর হতে হচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. সিদ্দিকুর রহমান ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. সাইফুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘন্টায় হোম কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে ৩৭ জনকে। গত ২৪ ঘন্টায় হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৩৮ জন। এ যাবৎ কোয়ারেন্টাইনে ছিলেন ১৭৯৬ জন। ছাড়পত্র পেয়েছেন ১৫৭১ জন।
গত তিন দিন ধরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশনে রয়েছেন ০৫ জন। এর মধ্যে ০৪ জনের নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আজ বাকি ০১ জনের নমুনা পাঠানো হবে। এ পর্যন্ত জেলায় ৪৬ জনের নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। বাকিদের রিপোর্ট এখনও আসেনি।
আশার কথা জানিয়ে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন এখন পর্যন্ত জেলায় কোন রোগির শরীরে কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া যায়নি।
বার্তা বাজার/এম.সি