এমনিতেই বাংলাদেশের রাজধানী পুরোপুরি অবরুদ্ধ। কারণ, করোনা সংক্রমণ ঢাকাতেই বেশি। এই অবস্থায় সেখানে আটকে পড়েছেন বেশকিছু পাকিস্তানি পড়ুয়া।
অভিযোগ, অন্তত ৩০০ জন পাকিস্তানি পড়ুয়াকে ফিরিয়ে নিচ্ছে না তাদের দেশ। এই অবস্থায় এই পাক নাগরিকদের আপাতত ঢাকাতেই এনে রাখা হয়েছে।
ঢাকার পাক হাইকমিশন নীরব কেন এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে পাক বিদেশমন্ত্রক জানায়, বাংলাদেশ স্থিত পাকিস্তান হাই কমিশন সরাসরি তথ্য দিলে এই বিষয়ে তবেই কিছু করা সম্ভব।
১৯৭১ সালে রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তান থেকে ছিন্ন হয়ে তৈরি হয় বাংলাদেশ। পরে দক্ষিণ এশিয়া আঞ্চলিক সহাবস্থান মঞ্চ বা সার্ক গঠনের পর সদস্য দেশগুলির পড়ুয়ারা ঢাকায় পড়তে আসেন। তেমনই ৩০০ জন পাকিস্তানি পড়ুয়া এসেছেন বাংলাদেশে।
এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ চিন থেকে পুরো বিশ্বে ছড়িয়েছে। চিনে থাকা পাক নাগরিকদের ফেরাতে অস্বীকার করেছে ইমরান খানের সরকার। এই নিয়ে বিতর্ক বড় আকার নেয়। একইভাবে বাংলাদেশে থাকা পাক পড়ুয়াদের নিয়েও টানাপোড়েন চলছে।
তবে ঢাকায় থাকা অন্যান্য় সার্ক দেশের পড়ুয়ারা যেমন, ভারতীয়, নেপালি, ভুটানি, সিংহলিরা নিজ দেশে চলে গিয়েছেন। কিন্তু আটকে এই ৩০০ পাক পড়ুয়া।
তার দেশ পাকিস্তানেও করোনা সংক্রমণ বড় আকার নিয়েছে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত ৩৩০ জন। মৃতের সংখ্যা ২১ জন।
এমনই করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহায়তা করতে চেয়েছে চিন। তারা মেডিক্যাল টিম ও চিকিৎসা সামগ্রী পাঠাতে প্রস্তুত। পাশাপাশি সে দেশের বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংস্থা বাংলাদেশকে সবরকম সাহায্য দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।
এর আগে, সুরক্ষা সামগ্রী, মাস্ক, থার্মোমিটারসহ বিভিন্ন মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট বাংলাদেশকে দিয়েছিল চিন।
বার্তাবাজার/কে.জে.পি