কেরানীগঞ্জে ব্যক্তি উদ্যোগে আরো ২৬ হাজার পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী প্রদান

ঢাকার কেরানীগঞ্জে করোনা ভাইরাসের কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সৃষ্ট বিভিন্ন পেশার কর্মহীন অসহায় আরও ২৬ হাজার পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যেগে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছেন বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ।

করোনাভাইরাসের আতঙ্ক ও সংক্রমণে থমকে আছে পৃথিবী। ঘরবন্দী সময় কাটছে কোটি মানুষের। থেমে আছে জীবন জীবিকার তাগিদে ছুটে চলা ব্যস্ত মানুষগুলোর সময়। এমন দুঃসময়ে সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়েছেন সমাজের নিম্নআয়ের দিনমজুর মানুষেরা। আর এ অসহায় কর্মহীন হয়ে পড়া নিম্ন আয়ের ২৬ হাজার পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী দিয়েছেন তারা।

আজ ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ এর ব্যক্তিগত সহকারী তোফায়েল আহমেদ বার্তাবাজারকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, এর আগে কর্মহীন অসহায় প্রায় ৫০ হাজার পরিবারের মাঝে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এখন নতুন করে আরও ২৬ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। এসব খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ৫ কিজি আটা, ৩ কিজি আলু, ১ কেজি পিয়াজ এবং ১ লিটার সয়াবিন তেল রয়েছে।

এসময় তিনি আরো জানান, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে এইসব খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়ন ইতিমধ্যে বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছেন এবং আগামীকালের মধ্যে বিতরণ সম্পন্ন করা হবে। এর মধ্যে শুভাঢ্যা ইউনিয়নে ৪ হাজার ও বাকি ১১ টি ইউনিয়েন ২ হাজার করে মোট ২৬ হাজার পরিবারের মাঝে এসব খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ জানান, বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু ভাইয়ের নির্দেশনায় ইতি মধ্যে কেরাণীগঞ্জের প্রায় ৫০ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং এর ধারাবাহিকতায় নতুন করে আর ২৬ হাজার পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
এসময় তিনি আরও জানান, কেরানীগঞ্জের একজন মানুষও না খেয়ে থাকবে না বলে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী যে ঘোষনা দিয়েছেন আমরা প্রতিনিয়ত সেটিই বাস্তবায়ন করে চলেছি।

তিনি বলেন, সরকারি বেসরকারি মিলিয়ে প্রতিদিন প্রচুর ত্রান বিতরন করা হচ্ছে কেরানীগঞ্জে। তাই কেরানীগঞ্জের ত্রানের কোন সমস্যা হবে না। এরপরও যদি কারো খাদ্য সংকট দেখা দেয় তাহলে তাকে উপজেলা পরিষদে যোগাযোগের অনুরোধ জানান তিনি। একই সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের নিয়ম মেনে কেরানীগঞ্জবাসীকে ঘরে থাকতে আহ্বানও জানান তিনি।

বার্তা বাজার/এম.সি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর