নিখোঁজের ৩০ ঘন্টা পরও পাওয়া যায়নি রিদয়ের খোঁজ

নিখোঁজের ২৯ ঘন্টার পরও পাওয়া যায়নি চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়া ছেলে। রাতভর নিখোঁজ রিদয়ের পিতা নুরুল হক তার জামাতাকে নিয়ে ঘুরে ফিরেছেন কর্ণফুলী নদী ঘেরা বিভিন্ন ঘাটে।

নিখোঁজ সন্তানের সন্ধানে ঘটনার পর পর কেবল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল কিছু চেষ্টা করলেও পরবর্তীতে নদীতে ডুবন্ত মানুষ উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট ও প্রশিক্ষিত কারো কোন সাহায্য সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। শুধু তাই নয় সন্তান নিখোঁজের ব্যাপারে কারো পক্ষ হতে কোন মানবিক প্রতিক্রিয়াও লক্ষ্য করা যায়নি। নিখোঁজের ব্যাপারে সদরঘাট থানায় একটি ডায়েরি করা হয়।

ছেলে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে গরীব সিএনজি চালক হতাশায় ভেঙে পড়েন! কান্না জড়িত কন্ঠে হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমার ছেলে না হোক। অন্ততপক্ষে তার লাশ হলেও পেতে কেহ আমার সাহায্য করুন!

একজন গরীব অসহায় পিতার মুখে এমন মর্মান্তিক ও হতাশাব্যাঞ্জক কথা শুনে উপস্থিত আত্মীয় স্বজন সহ স্থানীয় এলাকাবাসীর মনে কঠিন কষ্টের দাগ কাটে। করোনা আতঙ্কে হতাশাগ্রস্ত মানুষের মাঝে বিরাজ করছে রিদয়কে খুঁজে না পাওয়ার শোক।

উল্লেখ্য, রিদয়ের খোঁজ না পেয়ে রিদয়ের পিতা সদরঘাট থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। সেই সাথে রিদয়ের সাথে ডুব দেয়া পিকআপ চালক ও মালিক মোহাম্মদ আফসারকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

পুলিশ তাদেরকে লিখিতভাবে নেভী দলকে উদ্ধারের আবেদন জানাতে বলে। এছাড়া ফায়ার সার্ভিস হতে কিংবা কোন সংস্থা হতে নিখোঁজ রিদয়কে উদ্ধারেে আর কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যার দরুন অসহায় পিতা একাই দিনভর ও সারারাত জেগে নদীর এ পাশ হতে ও পাশ ছেলেকে খুঁজে বেড়িয়েছেন এবং তীরে অবস্থানরত বিভিন্ন নৌকা, জাহাজের নাবিক ও মাল খালাসকারি শ্রমিকদের ছেলের সন্ধান পেলে যোগাযোগ করার আবেদন জানান।

এছাড়া আজ বেলা সাড়ে বারোটা হতে দুপুর তিনটা পর্যন্ত নিখোঁজের আত্মীয় স্বজন নৌকা নিয়ে মাঝিরঘাট হতে কালুরঘাট সেতু পর্যন্ত নদী ও নদী সংলগ্ন প্রতিটি ঘাটে ঘাটে রিদয়ের খোঁজ করেন।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর