বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা মামলার ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি চাকুরিচ্যুত ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদকে (৭২) কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম এ এম জুলফিকার হায়াত তাকে কারাগারে পাঠানোর এ আদেশ দেন।
এদিন আদালতে পাবলিক প্রসিকিউটরের জিজ্ঞাসাবাদে আসামি আবদুল মাজেদ বলেন, সবশেষ ২২ বছর তিনি ভারতের কলকাতায় আত্মগোপনে ছিলেন।
গত সোমবার (৬ এপ্রিল) রাত ৩টা ৪৫ মিনিটের দিকে এ আসামিকে গাবতলী বাস স্টান্ডের সামনে থেকে রিকশাযোগে যাওয়ার সময় সন্দেহজনকভাবে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রথমে উল্টাপাল্টা কথা বলতে থাকেন। এক সময় তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার পলাতক আসামি। পড়ে তাকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে আদালতে শুনানি আগে আসামি আব্দুল মাজেদকে প্রসিকিউটর হিরণ জিজ্ঞেস করেছিলেন এতদিন তিনি কোথায় ছিলেন। উত্তরে তিনি জানান, ২২ বছর ভারতের কলকাতায় ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে কেন হত্যা করলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি হত্যার সাথে জড়িতের কথা অস্বীকার করেন। হত্যা না করলে পালিয়েছিলেন কেন, প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন উত্তর দেননি।
মাজেদ গ্রেফতার হওয়ার পর বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী রইলেন আরও ৫ জন। তারা হলেন, সাবেক সেনা কর্মকর্তা খন্দকার আবদুর রশীদ, শরিফুল হক ডালিম, মোসলেম উদ্দিন, এস এইচ এম বি নূর চৌধুরী ও এ এম রাশেদ চৌধুরী। এরা বিভিন্ন দেশে পলাতক অবস্থায় আছেন। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।
বার্তাবাজার/এসজে