সরকারি নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে সাতক্ষীরায় চলছে ইটভাটার কার্যক্রম। সোমবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এসব ইটভাটাগুলো জ্বালানি কাঠ ব্যবহার, অধিক জনবল একসাথে থাকা-খাওয়াসহ করোনা সচেনতায় কোন ব্যবস্থ্য না নিয়েই কার্যক্রম চলমান রেখেছে মালিক পক্ষ।
এব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলার অভিভাবক জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামালের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ইটভাটা শ্রমিক ও সচেতন নাগরিকরা। ভাটা মালিকরা কোনো প্রকার প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে ইটভাটা চালু রাখায় শ্রমিকরা রয়েছেন করোনা ঝুঁকিতে।
ভাটাগুলোতে শ্রমিকরা দলবেঁধে কাজ করা, একই ঘরে গাদাগাদি করে রাতযাপন ও কাজ শেষ প্রকাশ্য যত্রতত্র ঘুরে বেড়ানায় সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়ছে। সরেজমিনে একাধিক ইটভাটা ঘুর দেখা যায়, ইটভাটায় চলছে ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। কেউ ইট তৈরি করছে, অনেকেই ভাটায় কাঁচা ইট সাজাচ্ছে, কেউ পাড়া ইট বের করছে, আবার অনেকেই কয়লা ভাঙ্গিয় ভাটার আগুন দিচ্ছে।
তাদের কারোরেই মুখে নেই মাস্ক বা অন্য কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। ইটভাটার শ্রমিকরা জানান, ভোটার মালিক যদি ছুটি না দেয় তাহলে আমরা কি করবো। একদিন কাজ না করলে আমাদের সংসার চলনা। মালিকরা আমাদের এখনও পর্যন্ত মাস্ক, সাবান বা সচেতনতামূলক কিছুই দেয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কিছু অসাধু কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সংস্থাকে ম্যানেজ করেই ভাটা মালিকরা ইট পুড়িয়ে থাকেন। ইটভাটার মালিকরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনেকটাই অপারগ। ইটভাটায় পোড়ানা হচ্ছে গাছের গুঁড়ি। জেলায় সরকারের এসব আইন-কানুন যেন সম্পূর্ণ অকার্যকর। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামালের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জেলার সচেতন মহল।
কেএ/ বার্তাবাজার