চট্টগ্রামে প্রবেশের পাঁচটি পয়েন্ট লক করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে সিএমপি’র পক্ষ হতে নগরীর পাঁচটি এন্ট্রি ও এক্সিট পয়েন্ট অবরুদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে গণমাধ্যমে এক বিজ্ঞপ্তী প্রকাশ করা হয়।
সিএমপি’র উপ পুলিশ কমিশনার ও মুখপাত্র আবু বকর সিদ্দিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত উক্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তীতে জানান, “প্রতিদিন আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে লোকজন চট্টগ্রাম শহরে প্রবেশ করেন এবং শহরের লোকজন উপজেলা সমূহে আসা যাওয়া করেন।
কখন কার দ্বারা করোনার সংক্রমণ ঘটে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সকলে নির্দিষ্ট গন্ডির মধ্যে থাকা একান্ত আবশ্যক। এজন্য আজ রাত ১০টা হতে আপাতত শহরের পাঁচটি এন্ট্রি পয়েন্ট বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং প্রতিটি পয়েন্টে ও শহরের অভ্যন্তরে কড়া নজরদারির জন্য পুলিশের চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।”
তিনি আরো বলেন, “এসব প্রবেশপথ দিয়ে ওষুধ, খাদ্য ও জরুরি পণ্যবাহী পরিবহন, রফতানি পণ্যবোঝাই পরিবহন, রোগি নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন প্রবেশ করতে পারবে না। এসব প্রবেশপথ দিয়ে মানুষের চলাচলও সীমিত থাকবে। নগরীতে প্রবেশের সময় লোকজনকে নিরাপত্তা চৌকিতে পুলিশের মুখোমুখি হতে হবে। সন্তোষজনক জবাব দিতে পারলেই প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।”
আজ রাত দশটা থেকে অবরুদ্ধ হতে যাওয়া নগরের পাঁচটি প্রবেশ পথ হলোঃ- শাহ আমানত সেতু, কালুরঘাট সেতু, কাপ্তাই রাস্তার মাথা, অক্সিজেন মোড় এবং ফৌজদারহাট সিটি গেইট।
উল্লেখ্য, করোনা প্রতিরোধে গতরাতে সিএমপি কমিশনারের নির্দেশক্রমে আজ সোমবার (৬ এপ্রিল) থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত নগরীতে ওষুধের দোকান ছাড়া সবধরনের দোকানপাট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কেএ/ বার্তাবাজার