নারায়ণগঞ্জ শহরকে করোনার কালো থাবা থেকে বাঁচাতে লকডাউন করে দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ জানিয়েছে নগরের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভি। প্রয়োজনে কারফিউ জারি করার জন্যও অনুরোধ করেছেন। আইভির মতো নারায়নগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ শামীম ওসমানও অনুরোধ জানিয়েছেন সমগ্র নারায়ণগঞ্জ জেলাকে লকডাউন করে দেয়ার জন্য। বহুদিন পর মানব স্বার্থে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক আকাশের এই দুই নক্ষত্রের মতের মিল হওয়ায় অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকালে নারায়ণগঞ্জ সিটির করপোরেশনের সিইও আবুল মমিনের সাক্ষর সম্বলিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ব ব্যাপী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে নাসিক এলাকা দিন দিন সংক্রমিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুইজন মৃত্যুবরণ করাসহ একাধিক ব্যক্তি আক্রান্ত হওয়ার পর প্রশাসন বিভিন্ন এলাকা লকডাউন করেছে। নাসিক এলাকায় ইপিজেড, গার্মেন্ট শিল্প, বাড়ি, কলকারখানাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর বড় বড় মিল কারখানা রয়েছে বিধায় এলাকাটি শ্রমিক অধ্যুষিত। ঘনবসতিপূর্ণ এই নগরীতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি অত্যধিক। তাই সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষার্থে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকাটি লকডাউন অথবা প্রয়োজনে কারফিউ জারি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন
আবার রোববার (৫ এপ্রিল) সাংসদ শামীম ওসমান গণমাধ্যমকে জানান, নারায়ণগঞ্জে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাস। যত দ্রুত সম্ভব পুরো জেলাকে লকডাউনের আওতায় আনতে হবে। এই ব্যাপারে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।
জেলা প্রশাসক মো. জমিস উদ্দিন বলেন, শুধু সিটি কর্পোরেশন নয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য আশেপাশের ফতুল্লা ও অন্য এলাকাও লকডাউনের আওতায় আনা যায় কি না আমরা চিন্তাভাবনা করছি।
বার্তাবাজার/এসজে