করোনা-সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষে-মানুষে ‘সামাজিক দূরত্ব’ (তিন ফুট দূরত্ব) বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়েছে দেশের স্বাস্থ্য বিভাগ। লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও হাট-বাজারে সেই ‘সামাজিক দূরত্ব’ অনেকেই মানছেন না। হাট-বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতারা প্রায়ই একে অন্যের গা-ঘেঁষে দাঁড়াচ্ছেন।
হাঁচি-কাশির শিষ্টাচার রক্ষা করছে না। এরফলে করোনা-সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে গ্রামের চায়ের দোকানে আগের মতই মানুষের আড্ডা চোখে পড়ছে। প্রশাসনের নির্দেশনার তোয়াক্কা করছে না তারা।
কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে আলাপে জানা গেছে, তারা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে জানেন। কিন্তু কেনাকাটা করতে এসে পরিস্থিতির কারণে ঠিকমতো সেই দূরত্ব রক্ষা করতে পারেন না বলে দাবি করেছেন তারা। আর বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতাদের দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলেও তারা কেউ শোনেন না।
জানা গেছে, ওষুধের দোকান, মুদি দোকান ও সবজির দোকান ব্যতিত সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ করতে নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। উপজেলার অনেক বাজারে এই নির্দেশনা মানছেনা। প্রায় সব দোকান খোলা রেখেছে অনেকে। মনে হয় দোকান খোলা রাখার প্রতিযোগীতায় মেতেছে তারা।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৌসিফ আহমেদ জানিয়েছেন, ৪ এপ্রিল শনিবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কাঁচা বাজার, নিত্য প্রয়োজনীয় দোকান সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত এবং ঔষুধের দোকান ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে।
এদিকে গতকাল শুক্রবার অতিরিক্ত জনসমাগম হওয়ায় চুনতি ডেপুটি বাজার ও দরবেশহাট বাজার বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
লোহাগাড়া থানা অফিসার ইনচার্জ জাকের হোসাইন মাহমুদ জানান, যারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্তা নেওয়ায় হবে। সবাইকে ঘরে থাকার আহবান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, নিজে নিরাপদ থাকুন অন্যকে নিরাপদ রাখতে সুযোগ করে দেন।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস