শেরপুরে পল্লী বিদ্যুতের ভেল্কিবাজিতে অতিষ্ট লকডউনরত

করোনা ভাইরাস রোধে সরকারের নির্দেশে দেশের সকল মানুষ লকডাউনে না গেলেও অনেকেই সরকারি আদেশ মেনে নিজেরা সচেতন হয়ে রয়েছেন লকডাউনে। বাড়ি থেকে সহসাই বের হচ্ছেনা কেউ। কিন্তু বগুড়ার শেরপুরে পল্লী বিদ্যুতের ভেল্কিবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে গেছে তাদের জীবন। এভাবে লোডশেডিং হলে লকডাউন বিধি মানা প্রায় অসম্ভব হয়ে পরবে তাদের জন্য।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১ এপ্রিল বুধবার বিকেল থেকে কয়েকদফা পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং হয়েছে। ওইদিন বিকেল ৩ টা থেকে মাগরিবের নামাজের মধ্য পর্যন্ত, মাগরিবের নামাজের পর থেকে ঈশারের আজানের আগে ও ঈশারের নামাজের পর কিছুটা সময় পল্লী বিদ্যুতের লোডশেডিং হয়েছে। এতে অসহনীয় যন্ত্রনা ভোগ করেছেন করোনা ভাইরাস রোধে সরকারি আদেশ মেনে চলা লকডাউনরত মানুষগুলো। এমনিতেই দিনে তাপমাত্রা প্রায় ৩৪ থেকে ৩৬ ডিগ্রি লক্ষ্য করা গেছে। এর মধ্যে যদি লোডশেডিং হয় তাহলে মানুষের টিকে থাকাই কঠিন হবে।

এ ব্যাপারে লকডাউনে থাকা খানপুর ইউনিয়নের শালফা গ্রামের মারজিয়া হক বলেন, আমার বাড়িতে ৮ বছর ও আড়াই মাসের ২ জন শিশু ও শ^াশুরী রয়েছে। তাদের নিয়ে আমরা লকডাউনে আছি। দিনের তাপমাত্রা খুবই বেশি। এর মধ্যে যদি বিদ্যুতের এমন লোডশেডিং হয় তাহলে বাড়িতে বচ্চাদের নিয়ে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পরবে।

ঢাকা থেকে আসা বাইজিদ বোস্তামি জানান, ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছি। সরকারি নির্দেশ মেনে ঘরের মধ্যেই আছি। বিনোদনের জন্য একটু টেলিভিশন দেখব সেই সুযোগও নেই। করোনা ভাইরাসের প্রকোপ চলাকালীন অবস্থায় যেন বিদ্যুতের ভেল্কিবাজি না হয় সেদিকে কর্তৃপক্ষকে নজর দেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে বগুড়া পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ শেরপুর অঞ্চলের এজিএম মো. জাকিরুল ইসলাম বলেন, সাব স্টেশনের ৩৩ কেভির লাইনে সমস্যা হওয়ায় এবং কারো বাড়ি আগুন লেগেছে গ্রাহকের কাছ থেকে এমন খবর পেয়ে কয়েকবার লাইন বন্ধ রাখা হয়েছিল। তাছাড়া আর কোন সময় বিদ্যুত সরবারহ বন্ধ হয়নি। লাইনে কোন সমস্যা না হলে কোন এলাকার বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ থাকবেনা বলে আশা করি।

বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর