দেশে করোনাভাইরাসে যখন সারা দেশে সবাই সতর্ক। বিশেষজ্ঞ ও প্রশাসন সবাইকে করোনা থেকে বাঁচতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আপাতত ঘরে থাকার আহবান করছে। কিন্তু জীবিকার তাগিদে অনেকে ছুটছে ঘরের বাইরে। এমন পরিস্থিতিতে সকল মিছিল, সমাবেশ ত্যাগ করে ঘরে অবস্থান করে করোনার ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে তাদের ডেকে ডেকে খাবার পৌছে দিচ্ছে সরকার ও বিভিন্ন সংগঠন
কিন্তু অনেক প্রতিবন্ধী আসতে পারেনা বিধায় তারা এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলো। এমনকি সমাজে পিছিয়ে পড়া তৃতীয় লিঙ্গের হিজড়রাও তার ব্যাতিক্রম নয়। তারা ঘরে থেকে অনাহারে ভূগলেও মানুষের দ্বারস্ত হতে দেখা যায় না। তাদের এমন পরিস্থিতিতে একটু ভিন্ন চিত্র ফোটে উঠেছে রাজধানী জুড়ে। তাদের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দিচ্ছিলো শাহাদাৎ হোসেন মুন্না নামের এক ব্যাক্তি। িতার কাছে যেতেই তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ক্যামেরার আঁড়ালে কেটে পরেন।
তার খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি বাংলাদেশ ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক এর সাধারণ সম্পাদক ও সৃষ্টি হিউম্যান রাইটস সোসাইটি এর ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে সবাই কোন না কোন জায়গা থেকে ত্রান পাচ্ছে। কিন্তু তারা অনেকেই তার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই তাদের কষ্ট দূরীকরনে আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র। আসলে আমাদের এই মুহুর্তে সবাই সবার জায়গা থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে কেউ অন্তত খাবার নিয়ে কষ্ট পাবে না। কারণ এমন পরিস্থিতিতে সবাই সবার জায়গা থেকে অসহায়। এই দূর্যোগ কেটে উঠতে আমাদের সবার সমানভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে একটু কষ্ট করতে হবে। তা না হলে আমরা বড় ধরনের একটি মহামারী ডেকে এনে নিজেরাই নিজেদের ক্ষতি নিশ্চিত করবো। তাই অন্তত ঘরে থাকার জন্য হলেও সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলোর জন্য আমার ছোট্ট এই প্রচেষ্টা মাত্র।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস