চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনায় ওসির সু-পরামর্শে তালাকের হাত থেকে বাঁচলো দুই সন্তানের পরিবার। বিয়ে হয়েছে ৭ বছর পুর্বে। রয়েছে একটি ছেলে ও একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান।
তবু গৃহবধু সাথী ও স্বামী সাদ্দামের মধ্যে ঝগড়া কন্দল লেগেই থাকতো। জানাযায়, দামুড়হুদার ছোট বলদিয়া গ্রামের শুকুর আলীর মেয়ে সাথীর সাথে একই উপজেলার দর্শনা চাঁদপুর গ্রামের রফিকুলের ছেলে সাদ্দামের সাথে বিয়ে হয়।
বেশ কিছু দিন ধরে স্বামী সাদ্দাম গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে ও সংসারের অভাব অনুটনের কারনে স্বামী সাদ্দামের সাথে মনোমালিন্য হয় স্ত্রীর। অনেক সময় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দ্বন্ধ সৃষ্টি হয়।
এসকল কারনে সাথী বাবার বাড়ি চলে যায়। এ সময় ছেলের বাবা মেয়ের বাবা ও ভায়ের নামে দর্শনা থানায় একটি লিখিল অভিযোগ করে। এই অভিযোগের পরে মেয়ের পক্ষ তাদের নামে অভিযোগ করে।
দর্শনা থানায় অভিযোগের পর অফিসার্স ইনচার্জ মাহবুব রহমানের নির্দেশে এ এস আই মামুন বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টায় উভয় পক্ষকে নিয়ে থানায় শালিশী বৈঠকের আয়োজন করেন।
এক পর্যায়ের উভয় পক্ষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হলে দর্শনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মাহবুব রহমানের উভয়কে শান্তিতে ঘর সংসার করতে বলেন তিনি আরো বলেন, সংসার ভাঙ্গা বড় কথা নয়, সকলকে নিয়ে সাত বছরের একটি সংসার আবারো জোড়া লেগেছে এটাই বড় কথা।
দর্শনা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মাহবুব রহমান মানুষের কল্যাণে কাজ করার আরেকটি উদহারণ সৃষ্টি করলেন।
কেএ/বার্তাবাজার