যশোরে কেশবপুর উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামে একই পরিবারের তিনজন জ্বর,সর্দি- কাশিতে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।তবে ঢাকাস্থ মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে ওই পরিবারের একজনের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। আক্রান্ত তিনজনকেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, পাঁচপোতা গ্রামের মিলন সিংহকে জ্বর,সর্দি-কাশির কারণে সোমবার দুপুরে দ্বিতীয় দফায় ভর্তি করা হয়।
একই দিন জ্বরে আক্রান্ত তার ছেলে চন্দন সিংহও ভর্তি হয়।আবার মঙ্গলবার সকালে মিলন সিংহের স্ত্রী শিখা সিংহকেও ভর্তি করা হয়েছে।ওই পরিবারের একাধিক সদস্যর জ্বর,সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হওয়ার কারনে এলাকায় ভীতির সঞ্চার হয়।তাদেরকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা করানো হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকালে ঢাকাস্থ মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইইডিসিআর এর মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট লিটন হালদার ওই পরিবারের গৃহকর্তা মিলন সিংহের নাক ও গলা থেকে লালা সংগ্রহ করেন।কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃআলমগীর হোসেন বলেন,মিলন সিংহের নাক ও গলা থেকে লালা সংগ্রহ করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইইডিসিআরের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট লিটন হালদার।ওই নমুনা ঢাকাস্থ মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইইডিসিআরে প্রেরণ করা হয়েছে।৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া যাবে।
কেশবপুর থানার (ওসি)জসীম উদ্দিন বলেন,সাংবাদিকদের নিকট থেকে জানতে পারি মিলন সিংহকে গত রবিবার সকালে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর ১৫ মিনিটের ভেতর ছাড়পত্র দিয়ে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানাস্তর করা হয়।তার ছেলে মিলন সিংহকে সাথে করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ভর্তি না করে দূর থেকে চিকিৎসাপত্র দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।আমি জানতে পেরে সোমবার দুপুরে দ্বিতীয় দফায় কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দিয়ে আসি।
বার্তা বাজার/এম.সি