প্রাকৃতিক ও ভৌগলিক অবস্থানের কারনে কলাপাড়া, কুয়াকাটা ও পায়রা বন্দর দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রাণ কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে। এক স্থানে এতসব অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আর কোথাও দেখা না গেলেও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় দেখা সম্ভব। মহা শক্তি সূর্য পূর্ব আকাশে উদয় হয়ে পশ্চিম আকাশে অস্ত যায়।
এ উদয়-অস্তের লীলা ভূমি পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় দেশের তৃতীয় সামুদ্রিক বন্দর পায়রা,১৩২০ মেগাওয়াট পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র,বানৌজা শের-ই বাংলা নৌ-ঘাটি,আলীপুর মহিপুর মৎস্য বন্দর,ইলিশ অভয়ারন্য আশ্রম,আবহাওয়া কেন্দ্র,শ্রীমঙ্গল বৌদ্ধ বীহার, মিশ্রীপাড়া বৌদ্ধ বীহার, শেখ কামাল,শেখ জামাল,শেখ রাসেল ও নির্মানাধীণ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু, নব-নির্মিত শেখ হাসিনা ফোরলেন সড়ক,সাবমেরিন ক্যাবল ফিলিং ষ্টেশন,চর গঙ্গামতি সমুদ্র সৈকত ,বনবিভাগের নয়নাঅভিরাম প্রাকৃতিক বনা ল, শুটকি পল্লী,রাখাইন পল্লী, এশিযার সর্বপ্রথম পানি জাদুঘর সহ নানা বৈচিত্র পূর্ণ জীবন যাত্রা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সহযেই একজন ভ্রমন পিপাষুকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম।
এ উপজেলায় বসবাসরত বাংলা ভাষাভাষী ও আরাকানি রাখাইন মানুষরা যুগ যুগ ধরে খুবই ঘনিষ্ট সম্পর্ক বজায় রেখে বসবাস করে আসছে। এখান কার মানুষ খুবই অতিথী পরায়ন, পর্যটক বান্ধব ও সহজ সরল, এ যেন স্বর্গের হাতছানি। একজন পর্যটক সহজেই একই উপজেলায় অবস্থানরত দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা গুলো দেখে আসতে পারেন সহজেই।যোগাযোগ রক্ষায় আভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাট অধীকাংশই পাকা। এক দশক আগের কলাপাড়া উপজেলা আর এখন কার কলাপাড়া উপজেলায় আমুল পরিবর্তন।পাল্টে গেছে মানুষের জীবন যাত্রার মান। পরিবর্তন এসেছে কৃষি, মৎস্যও নানা বিধ ব্যাবসা বানিজ্যে।
এখন এ উপজেলার মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়ে দ্বিগুন হয়েছে, পাশা পাশি শিক্ষার হার বেড়েছে বহুগুনে।প্রতিটি দুর্গম এলাকায় এখন বিদ্যুতে আলোকিত। সরকার অগ্রাধীকার ভিত্তিতে কলাপাড়া, কুয়াকাটা ও পায়রা বন্দরের মেগা প্রকল্প বাসÍবায়নের কারনে সারা দেশের মানুষের ব্যবসায়ী ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে । এ সকল কর্ম যগ্যের কারনে কলাপাড়া উপজেলা টি বাংলাদেশের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য স্থানে পরিনত হয়েছে।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস