বন্ধের চতুর্থ দিনেও বাজার ও মহাসড়ক সংলগ্ন বাজারে জনসমাগম

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে সরকার ঘোষিত ১০ দিন সাধারণ ছুটির আজ চতুর্থ দিন। সরেজমিন ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বিভিন্ন অলিগলির ভিতরের বাজার এবং মহাসড়ক সংলগ্ন কয়েকটি বাজারে প্রচুর জনসমাগম। এখানে মানা হচ্ছে না নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব।

রবিবার (২৯ মার্চ) আশুলিয়ার জিরাবো থেকে শুরু করে জামগড়া, ইউনিক, বাইপাইল, পল্লীবিদ্যুত, ডেন্ডাবর, গকুলনগর ও পানধোয়া এলাকায় সরেজমিন ঘুরে এক ভয়াবহ চিত্র দেখা গেছে। জিরাবো, জামগড়া, ইউনিক এবং পল্লীবিদ্যুত এলাকায় আঞ্চলিক ও মহাসড়কের ফুটপাথে বসা বাজারগুলিতে এই অঞ্চলের মানুষের সমাগম দেখা গেছে।

ছবি: বার্তাবাজার।

সবাই কেনাকাটা করছেন একে অন্যের শরীর ঘেষে। মানা হচ্ছে না একজন থেকে অন্যজনের মধ্যেকার ন্যুণতম তিন ফুট দূরত্বের অবস্থান। ফলে যে কারও দ্বারা অন্য কেউই অতি সহজে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে।

এরপর রয়েছে অলিগলিতে বিভিন্ন ভাসমান কাঁচামালের দোকান এবং ফলের দোকান। শ্রমিক অধ্যুষিত শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকেরা এসব রাস্তার পাশের ফুটপাতের এবং ভ্যানে করে বিক্রী করা দোকানগুলিতে ভিড় জমাচ্ছেন। এক্ষেত্রেও কেউই মানছেন না নির্দিষ্ট সামাজিক দূরত্ব।

ছবি: বার্তাবাজার।

এলাকার সকল মসজিদে বর্তমানে মুসল্লীদের সংখ্যা আগের চেয়ে আরো বেশী দেখা গেছে। আর প্রতি ওয়াক্তে বিশেষ করে আসর ও মাগরিবের নামাজের পর মুসল্লিরা এক সাথে নামাজ শেষে বের হয়ে রাস্তার পাশের ভাসমান দোকান থেকে হয় কেনাকাটা করতে ভিড় জমাচ্ছেন। নাহয় অলস আড্ডায় মেতে থাকছেন। ফলে এক্ষেত্রেও জনসমাগম আপনাতেই তৈরী হচ্ছে যেখানে থাকছেনা তিন ফুটের সামাজিক দূরত্ব।

বিশেষজ্ঞদের অভিমিত, আগামী ৬-১০ দিন কোভিড-১৯ ভাইরাসের তৃতীয় ধাপ যা সংক্রমণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করতে যাচ্ছে। তবে আশুলিয়ার এসব এলাকা ঘুরে যে চিত্র দেখা গেছে, এই তৃতীয় ধাপ চলাকালীনও যদি এরকম নির্বিকার জনসমাগম বজায় থাকে, তবে করোনার মহামারি থেকে আমাদের উত্তরণের পথ বোধহয় আর থাকবে না।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর