পটুয়াখালীতে সর্দি জ্বর ও এজমায় মৃত্যু দুই ব্যক্তির বাড়ি লক ডাউন

পটুয়াখালীতে নতুন করে তিনটি বাড়ি লক ডাউন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতার চতুর্থ দিনে ২৯ মার্চ সকালে পটুয়াখালী সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার লতিফা জান্নাতী ও সদর থানা পুলিশের ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান পৌরসভার মাদবর বাড়ি এলাকার ফার্ম রোডের সর্দি জ্বরে মৃত আব্দুর রশিদ(৬৫) এর জামাই জালাল মিয়ার বসতঘরের সামনে লাল নিশান টানিয়ে ঘরটি লক ডাউন ঘোষনা করেন।

এ সময় ওই ঘরের সামনে ২০ কেজি চাল, ৪ কেজি ডাল ও ১০ কেজি আলু রেখে দেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার লতিফা জান্নাতী। এর পর সদর উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ের পূর্বপাশে তালুকদার বাড়ি এজমা রোগে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশনে চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যু জাকির হোসেন (৪০) এর শশুর বাড়ি আঃ রব তালুকদারের বাড়ি লক ডাউন করা হয়। জানাগেছে, জাকির হোসেন বরিশাল একটি ব্যাংকে চাকুরি করতেন।

তিনি ১০ দিনের সাধারন ছুটিতে তার গ্রামের বাড়ি গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়নের বাশবাড়িয়া গ্রামে আসেন। এজমা রোগে অসুস্থ হয়ে শ্বশুড় বাড়িতে আসে এবং শনিবার দুপুরে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে আইেেসালেশন ইউনিটে ভর্তি হন। তার অবস্থা আশংকাজনক হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

বরিশাল আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হওয়ার ১২ ঘন্টা পর তার মৃত্যু ঘটে। করোনা ভাইরাস জনিত রোগে মৃত্যু হতে পারে সন্দেহে তার জাকির হোসেনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর এ প্রেরন করা হয়েছে।

পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডাঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হতে পারে সন্দেহে তাকে কোভিড -১৯ আদলে জানাজা ও লাশ দাফন করা হবে এবং ওই মৃত ব্যক্তির বাড়িটি লক ডাউন করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনকে।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর