কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় আলু চাষ করে ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে নাছির নামের এক কৃষকের। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার কেশবপুর গ্রামের মৃত আব্দুল লতিফ মুন্সির ছেলে মোঃ নাছির উদ্দিন মুন্সি নিজের মেধা ও শ্রম দিয়ে অনবাধী প্রায় সতের একর জমিতে আলু চাষ করেন, ফলন ভাল ও দাম ভাল পাওয়ায় তার ভাগ্যের চাকা গুরে গেছে এমনটাই বলছেন এলাকাবাসী।
কৃষক নাছির উদ্দিন মুন্সি সাংবাদিকদের জানান, আমি দীর্ঘদিন যাবৎ প্রবাস থেকে এসে কাজের কোন সন্ধান না পেয়ে আমাদের চকের অনবাধী ফসলি জমি গুলো পরে থাকতে দেখি তখন জমির মালিকদের সাথে কথা বলি যে জমি গুলো উপযোগি করে চাষাবাদ করবো, তখন তারা সবাই আমাকে সম্মতি দিল চাষাবাদ করার জন্য, তখন আমি আলু চাষ করবো বলে সিদ্ধান্ত নেই,তখন আমার হাতে ঐরকম কোন টাকা পয়সাও ছিলনা। আমি পার্শ¦বর্তি উপজেলা হোমনাতে (বি এ ডি সি) যোগাযোগ করলে তারা আমাকে আশ্বাস দেন। আশ্বাস দিলে জমি গুলো চাষাবাদের জন্য পরিপূর্ণ উপযোগি করে তুলি এবং চাষাবাদ শুরু করি।
তিনি বলেন,প্রায় সাড়ে তিন মাস পূর্বে ডায়মন্ড জাতের বিজ আলু জমিতে ভুনেন এবং জমি চাষাবাদের জন্য ৪০-৫০ জন কৃষক কাজ করে যাচ্ছেন তাতে প্রায় বিশ লাখ টাকার মত খরচ হয়, তারই মধ্যে হোমনার (বি এ ডি সি) এর পক্ষ থেকে আমাকে ৭ লাখ টাকা ঋন প্রদান করেন।তিনি আরো জানান, এবার ১৭ একর জমিতে আমার প্রায় ৪ হাজার মন আলু হবে এবং বিক্রি হবে প্রায় ত্রিশ লাখ টাকা। সব খরচ বাদ দিয়ে আমার ১০ লাখ টাকা লাভ হবে বলে তিনি জানান। তবে আগামীতে দ্বিগুন জমি চাষাবাদ করবে বলে তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সরকার যদি তাকে সহযোগিতা করে তাহলে সে আরো এগিয়ে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস