প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস রোধে সরকারের পক্ষ থেকে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তা অমান্য করে সুন্দরবন-১৪ লঞ্চ ঢাকা থেকে পটুয়াখালী নিয়ে যাওয়ায় লঞ্চে থাকা লঞ্চের সুপারভাইজারসহ মোট ৩৬ জন স্টাফকে লঞ্চ কোয়ারেন্টাইনে থাকার আদেশ দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায় ও গোলাম সরওয়ার।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায় বলেন, রাতে লঞ্চ ঘাটে অভিযান চালানোর সময় লঞ্চটিকে নদীর মাঝে দেখতে পেয়ে আমরা সেখানে ট্রলার নিয়ে যাই। তার পরে জানতে পারি লঞ্চটি বিনা অনুমতিতে ঢাকা থেকে ছেড়ে এসেছে। পরে লঞ্চটি ঘাটের একটু দূরে নোঙ্গর করে রাখা হয়। তিনি আরো বলেন, আইইডিসিআর কর্তৃপক্ষের নির্দেশমতে ঢাকা থেকে আসা সকল লোকদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার বাধ্যবাধকতা থাকায় লঞ্চের সকল স্টাফদেরকে লঞ্চেই থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পটুয়াখালী নৌবন্দরের সহকারী পরিচালক খাজা সাদিকুর রহমান বলেন, আমরা লঞ্চটি আসার খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্যারকে জানাই। তিনি আসেন এবং অভিযান পরিচালনা করেন, আমরাও তার সাথে অভিযানে অংশ নেই । তখন লঞ্চের সুপারভাইজার ইউনুস লঞ্চ থেকে ট্রলারযোগে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু চেষ্টা করেও পালাতে পারেননি।
বার্তাবাজার/এম.এম