ওসির কক্ষে আসামির ঝুলন্ত লাশ

বরগুনার আমতলী থানার মধ্যে নিহত কৃষক শানু হাওলাদারের কান্না আর আহাজারির শব্দ, তবে সাংবাদিকদের ঢোকার ক্ষেত্রে পুলিশের বাধা থানা গেটে। সাংবাদিকদের দেখে স্বজনরা ছুটে আসতে চাইলে তাদেরও আটকে দেয় পুলিশ।

কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সাংবাদিকদের থানায় ঢুকতে দিলে স্বজনরা অভিযোগ করেন, গত রবিবার পশ্চিম কলাগাছিয়া গ্রামের হযরত আলীর ছেলে শানু হাওলাদারকে থানায় ডেকে নেয় পুলিশ। পরে তার স্বজনদের কাছে ৩ লক্ষ টাকা ঘুস দাবি করলে ১০ হাজার টাকা দেয় তারা।

কিন্তু এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে আদালতে না পাঠিয়ে থানার মধ্যেই পিটিয়ে হত্যা পুলিশ। অবশ্য আমতলী থানায় সকালেই ছুটে এসেছেন জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা। তাদের দাবী নিহত শানু হত্যা মামলার আসামী, সে নিজেই ওসি তদন্তের রুমে গলায় ফাস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

তবে ওসি তদন্তের রুমে গলায় ফাস দিয়ে আত্মহত্যা করা এবং তাকে গ্রেপ্তারের ২৪ ঘন্টার মধ্যে কেন আদালতে প্রেরণ করা হলো না এমন প্রশ্নের উত্তর দেয়নি পুলিশ। তবে দায়ভাড় এড়াতে না পেরে থানার ওসি তদন্ত মনোরঞ্জন মিস্ত্রী ও ডিউটি অফিসারকে সাময়িক বহিস্কার করে একটি তদন্ত কমিটি করেছেন তারা।

নিহত ব্যাক্তির পরিবারের অভিযোগ তাকে মামলা ছাড়াই থানায় ডেকে দফায় দফায় নির্যাতন করে হত্যা করেছে পুলিশ। অবশ্য পুলিশ বলছে হত্যা মামলার অই আসামী নিজেই থানা গারদে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় পুলিশের দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে পুলিশ সুপার।

কেএ/বার্তাবাজার

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর