যশোরে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে আটটি উপজেলায় যৌথ অভিযান পরিচালিত
যশোরের আটটি উপজেলায় করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব ও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
বুধবার ভোর থেকে প্রত্যেকটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে সশস্ত্র বাহিনী,পুলিশ ও পৌরসভা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছেন।এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ৮টি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ইতোমধ্যে, যশোর সদর উপজেলা,বাঘারপাড়া উপজেলা, অভয়নগর উপজেলা,মনিরামপুর উপজেলা, কেশবপুর উপজেলা,ঝিকরগাছা উপজেলা, চৌগাছা উপজেলা ও শার্শা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তাদের বিভিন্ন জায়গার প্রধান প্রধান বাজারসহ সব জায়গায়র দোকান পাট বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
ঔষধ,খাবার ও সবজির দোকান ছাড়া সকল পণ্যের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়ে মাইকিং করা হয়েছে।তবে জারি হওয়া করোনাভাইরাস ঠেকাতে সতর্কতা নির্দেশ অনেকে মানছেন না বলে খবর পাওয়া গেছে।তাই যশোরের ৮টি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে সশস্ত্র বাহিনী,পুলিশ ও পৌরসভা যৌথভাবে তাদের নিজ নিজ স্থানে অভিযান পরিচালনা করেন।এদিকে বৃহস্পতিবার(২৬শে মার্চ)সকাল ১০টায়
ঝিকরগাছা সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়।সতর্কতা নির্দেশনা না মেনে যেসকল দোকানপাট খোলা ছিল তা বন্ধ করে দেয়া হয়।পাশাপাশি সতর্কও করা হয়েছে যাতে এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে।যৌথ অভিযানের মাধ্যমে বাজার ব্যবস্থাপনা মনিটরিং করা হয়। পণ্যের দাম বাড়ানো হচ্ছে কিনা সেটাও তদারকি করা হয়।
অভিযানের সময় ইটভর্তি একটি ট্রাক আটক করে ঝিকরগাছা থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এছাড়া আটটি উপজেলায় বিদেশ ফেরত ব্যক্তি ও সন্দেহজনক ব্যক্তিরা কোয়ারেন্টিন মানছে কিনা সেদিকেও নিজনিজ উপজেলার অভিযান পরিচালনাকারীগন বাড়িবাড়ি গিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন।যশোরের আটটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা জানান, সরকারের ঘোষিত যে সর্তকতা নির্দেশনা জনগণকে দেয়া হয়েছে,তা অবশ্যই মানতে হবে।না মানলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং এই যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কেএ/বার্তাবাজার