দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হয়েছে ১০ দিনের সাধারণ ছুটি। জেলা শহরগুলোতে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা । করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সারা দেশের মতো উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামেও চলছে ব্যাপক তৎপর ।
জেলা পুলিশ,সেনাবাহিনী,জেলা প্রশাসন,কুড়িগ্রাম পৌরসভা সহ প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা কাজ করছেন । গতকাল ২৫ মার্চ দুপুর ১টার দিকে জেলা পুলিশের তরফ থেকে জেলার কালীবাড়ি,জিয়া
বাজার,ঘোষপাড়া,দাদামোড় সহ কয়েকটি পয়েন্টে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের করোনা মোকাবেলায় করা হয় সচেতন। পাশাপাশি বন্ধ করে দেয়া হয় সেখানকার সব ধরনের দোকান-পাট । এর আগে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহরের গুরুত্বপূর্ন হাট-বাজার গুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনসাধারণকে সচেতনতা করা হয় । ২৬ মার্চ বৃহঃবার সকাল থেকে জেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলোতে দেখা যায় সেনাবাহিনীর সদস্যদের । সচেতনতার পাশাপাশি সেনাবাহিনী বিভিন্ন জায়গায় স্প্রে করছেন জীবানু নাশক ঔষুধ । সেনাবাহিনীকে সহযোগিতা করতে দেখা যায় কুড়িগ্রাম পৌরসভা কে ।
এদিকে,১০ দিনের ছুটির কারণে বিপাকে পড়েছেন জেলার নিম্ন আয়ের বাসিন্দারা । ঘরে বসে পাড় করছেন অলস সময় ।
পুরাতন থানা পাড়ার চায়ের দোকানদার সুমন মোহন্ত জানান,”সরকারি ছুটির কারণে দোকান বন্ধ করেছি,১০ দিনের ছুটিতে আমি ৩ দিন ভালোভাবে চলতে পারবো ,বাকি দিনগুলো নিয়ে চিন্তায় আছি ।” কালীবাড়ি এলাকার পানের দোকানদার বিশু জানান,”গতকাল প্রশাসন থেকে দোকান বন্ধ করতে বলা হয়েছে,তাই দোকান বন্ধ করেছি ।”
অন্যদিকে, কুড়িগ্রামের বাজারগুলোতেও বাড়তি দাম নেয়ার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে,জিয়া বাজারে সবজি কিনতে আসা এক ক্রেতা জানান,৪০ টাকার পটোল তার কাছে ৬০ টাকা কেজি করে নেয়া হচ্ছে,অন্য দিকে কাঁচা বাজারের সবজিগুলো কেজিতে ১০-২০ টাকা করে বাড়তি দাম নিচ্ছেন বিক্রেতারা,এমনও অভিযোগ করছেন ক্রেতারা । বৃহঃবার জেলার জিয়া বাজার ও পৌর বাজারে ঘুরে দেখা যায়,কয়েকটি মুদি দোকান খোলা থাকলেও নেই সেগুলোতে মূল্য তালিকা । জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা যায়,এসব তদারকির জন্য মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে কয়েকটি মোবাইল কোর্ট ,পাশাপাশি করোনার কারণে নিম্ন আয়ের মানুষজনের জন্য সরকারি বরাদ্দগুলো বিতরণের প্রস্তুতি চলছে ।
বার্তা বাজার / ডাব্লিও.এস